পথশ্রী প্রকল্পে অন্য সংসদে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিক্ষোভ

103

রায়গঞ্জ, ২ জানুয়ারিঃ রায়গঞ্জ ব্লকের ৪ নম্বর বিন্দোলে বালিয়া সংসদে অনুমোদিত ২০০ মিটার পিচ রাস্তার কাজ কৃষ্ণপুর সংসদে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখালেন। গ্রামের রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে। গ্রামবাসীদের আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নির্মাণকারী সংস্থা প্রস্তাবিত রাস্তা বালিয়া সংসদে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিলে, গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ তুলে নেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পথশ্রী অভিযান প্রকল্পে বিন্দোল পঞ্চায়েতের বালিয়া সংসদে কৃষ্ণ মন্দির থেকে গ্রামসেবা মন্দির পর্যন্ত ২০০ মিটার রাস্তার কাজের বোর্ড শনিবার কৃষ্ণপুর সংসদে দেখতে পেয়ে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেঁটে পড়েন। তাঁরা কাজ আটকে দেন।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে রাস্তার কাজ অন্য সংসদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে।নিজেদের গ্রামের অনুমোদিত রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে নির্মাণকারী  ঠিকাদার সংস্থার কর্তৃপক্ষকে গ্রামে আসার দাবি জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারী বিপ্লব রায় জানান, পথশ্রী প্রকল্পে বালিয়া মৌজার কৃষ্ণমন্দির থেকে গ্রামসেবা মন্দির পর্যন্ত পাকা রাস্তার কাজ অনুমোদন হয়। অথচ সেখানে রাস্তা নির্মাণ না করে, কৃষ্ণপুর সংসদে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এর পিছনে দূর্নীতিগ্রস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে। শুক্রবার রাতে তাঁরা কৃষ্ণপুর সংসদে কাজের বোর্ড দেখেন। রাস্তার কাজের সিডিউল না দেওয়া পর্যন্ত কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি দাবি করেন। ঠিকাদার বিরুদ্ধে যোগাযোগ না করার অভিযোগ উঠেছে। বালিয়া সংসদের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত কুমার রায় এদিন আন্দোলনকারীদের কাছে এসে অভিযোগ শোনেন।

- Advertisement -

সুজিত কুমার রায় বলেন, এই রাস্তাটি আমাদের সংসদে ছিল। কিন্তু, রাজনৈতিক কারণে কৃষ্ণপুর সংসদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।বোর্ড দেখে বুঝেছি, এখানে কৃষ্ণ মন্দির এবং গ্রামসেবা মন্দির নেই। তাই আমাদের রাস্তা ফিরিয়ে দিতে হবে। এদিন আন্দোলনের চাপে পড়ে নির্মাণকারী সংস্থা শেষ পর্যন্ত বালিয়া সংসদে রাস্তার কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে, গ্রামবাসীরা আন্দোলন তুলে নেন। তরুন রায় নামে এক আন্দোলনকারী জানান, বালিয়া সংসদের অনুমোদিত ২০০ মিটার পাকা রাস্তা কৃষ্ণপুর সংসদে নিয়ে গিয়েছিল ঠিকাদার সংস্থা। গতকাল থেকে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলাম৷ আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত ঠিকাদার সংস্থা আমাদের সংসদে পাকা রাস্তা করার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে, ইঞ্জিনিয়াররা এদিন ঘটনাস্থলে আসেননি।