কৃষি বিষয়ক সচেতনতা শিবির চাঁচলে

344

চাঁচল: জেলা কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে বুধবার চাঁচল মহকুমা কৃষি দপ্তরের সভাকক্ষে কৃষি বিষয়ক এক সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হল। এদিন এই শিবিরে চাঁচল এলাকার শতাধিক ধান চাষীকে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়। কৃষি বিষয়ক সচেতনতা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কৃষি সেচ ও সমবায় দপ্তরের কর্মাধ‍্যক্ষ এটিএম রফিকুল হোসেন, চাঁচল মহকুমা কৃষি অধিকর্তা বিপদ ভাঞ্জন পাল, চাঁচল-১ ব্লক কৃষি অধিকর্তা দীপঙ্কর দেব ও চাঁচল-১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও বাইদুল্লাহ চৌধুরী আরও অনেকে।

জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ‍্যক্ষ এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, জমির উপরিভাগের ৬ ইঞ্চি মাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। নাড়া পোড়ানোয় মাটির গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলধারণ ক্ষমতা কমে যায়। মাটিতে থাকা উপকারী জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া বায়ু দূষণ তো আছেই। তাই চাষীদের আগাম সচেতনতার জন‍্য আজকের এই শিবির। কৃষিদপ্তরের দাবি, আমন ধানের মরশুমে কম্বাই হারভেস্টার মেশিনে ধান কাটার পর সেই জমিতে নাড়া পোড়ানো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এতে দূষণ ছড়াচ্ছে।

- Advertisement -

চাঁচল-১ ব্লক কৃষি অধিকর্তা দীপঙ্কর দেব বলেন, নাড়া পোড়ানো কখনওই সমর্থন করি না আমরা। এতে মাটির নাইট্রোজেনের পরিমাণ কমে যায়, পরবর্তী চাষে খাদ্যের গুণমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাটিতে থাকা ভাল ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু না পুড়িয়ে দিয়ে নাড়া যদি মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তা হলে তা সার হিসেবে কাজ করবে। আর পরবর্তী চাষাবাদে ভাল ফলন হবে এবং চাষীরা লাভবান হবেন।

চাঁচল মহকুমা কৃষি অধিকর্তা বিপদ ভাঞ্জন পাল জানান, আমন ধান ঘরে আনতে শুরু করেছে চাষীরা। সেই মুহূর্তে ধানক্ষেতের খড় ও নাড়া পোড়ানো থেকে বিরত থাকতে আগাম সচেতনতা বার্তা দেওয়া হল চাষীদের চাঁচল মহকুমা কৃষিদপ্তরের তরফে।