জাতিগত শংসাপত্র প্রদানে রাজ্যে প্রথম আলিপুরদুয়ার

254

আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের নতুন সাফল্য সামনে আসল। গোটা রাজ্যের মধ্যে জাতিগত শংসাপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথম স্থান অধিকার করল আলিপুরদুয়ার জেলা। এই সাফল্যে উল্লসিত জেলা প্রশাসন। আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা জানান, এখনও পর্যন্ত গোটা রাজ্যের যে পরিস্থিতি রয়েছে জাতিগত শংসাপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে, সেখানে দেখা যাচ্ছে আলিপুরদুয়ারের মহকুমা শাসক সব থেকে বেশি শংসাপত্র ইস্যু করেছেন। রাজ্যের মধ্যে এখন আলিপুরদুয়ার শীর্ষে রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত দুয়ারে সরকার শিবিরে জেলায় ৮৭ হাজার ৬০০ আবেদন পড়েছে। যেগুলোর মধ্যে ৮৭ হাজার ৩৬৮ আবেদন এখনও পর্যন্ত মহকুমা শাসকের কাছে এসে পৌঁছেছে। সেই আবেদনের ৭০ হাজার ১৬২ শংসাপত্র ইস্যু হয়ে গিয়েছে। জেলার ছয়টি ব্লক এবং দুই পুরসভা এলাকার মধ্যে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকে সব থেকে বেশি শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। মহকুমা শাসকের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকে ২২ হাজার ৬৮৩ শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। জেলায় সবথেকে পিছিয়ে রয়েছে কুমারগ্রাম ব্লক সেখানে ৭ হাজার ৫৪৪টি শংসাপত্র প্রদান করেছে। দুয়ারে সরকার শিবিরে জাতিগত শংসাপত্র আবেদন এবং প্রদানের ক্ষেত্রে বাকি জেলা গুলো আলিপুরদুয়ারের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা সদর মহকুমা। সেখানে ৬২ হাজার ৯২টি জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমা। সেখানে ৫২ হাজার ৯৫টি জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলার পার্শ্ববর্তী মহকুমা গুলোর মধ্যে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ এবং মাথাভাঙ্গা যথাক্রমে নবম ও দশম স্থানে রয়েছে। সেখানে যথাক্রমে ৪২ হাজার ৮৭৪ এবং ৪২ হাজার ২০০ জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে।

- Advertisement -

আলিপুরদুয়ারের মহকুমা শাসক বিপ্লব সরকার বলেন, ‘শুধু দুয়ারে সরকার শিবিরে ৮৭ হাজার আবেদন পড়েছে। এই শিবির গুলো বাদেও বিডিও অফিস গুলোতে আরও ১৫ হাজার আবেদন পড়েছে। কিছু আবেদন বাতিলও হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষ জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত সবাই দিন রায় কাজ করে এই সফলতা এসেছে। এই সাফল্য আনন্দের।’