ভাটিবাড়ি, ২৬ মেঃ ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস পিছু ছাড়ছে না কিছুতেই। আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেই চলেছে। রবিবার রঞ্জন দাস নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানোর ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় আলিপুরদুয়ারের ভাটিবাড়িতে। এই ঘটনায় শামুকতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আক্রান্তের পরিবার। দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে তারা।

গুরতর জখম যুবকের দাদা চন্দন দাসের অভিযোগ, এই ঘটনায় গ্রামেরই পাঁচ ব্যক্তি যুক্ত রয়েছে। ধারালো কিছু দিয়ে রঞ্জনকে সাতবার আঘাত করা হয়। গ্রামবাসীরা ছুটে যাওয়ায় পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় রঞ্জনকে উদ্ধার করে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরে সেখান থেকে রঞ্জনকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ার ২ ব্লক সভাপতি দেবজিৎ সরকার বলেন, ‘হামলার ঘটনায় জড়িতরা আগে সিপিএম দলের সমর্থক ছিল। লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর এরা বিজেপির নামাবলি গায়ে দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এদের ওপর বিজেপি নেতাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।’ এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার আলিপুরদুয়ার জেলার সাধারণ সম্পাদক বিচিত্র ধর বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কোনো যোগ নেই। পারিবারিক বিবাদ এবং শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।’

শামুকতলা থানার ওসি বিরাজ মুখোপাধ্যায় জানান, ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।