সুর-তাল-ছন্দে দুর্গোৎসবকে স্বাগত জানাচ্ছে আলিপুরদুয়ার

233

আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার নাকি রেল শহর! তবে সাংস্কৃতির ধারা বহনের শহরও বলা যেতে পারে। বহু পুরোনো ইতিহাস জড়িয়ে এই শহর এবং সংস্কৃতির। নাচ, গান, নাটক সবদিকেই এই শহরের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া কিছুটা মুশকিলই। স্মৃতির পাতায় যেমন এর ছাপ রয়েছ, সেই ছাপ ধরে এগিয়ে চলছে নতুন প্রজন্মও। দুর্গোৎসবের সঙ্গে সাংস্কৃতির সম্পর্ক সমানুপাতিক। আগমনীর বার্তা থেকে বিসর্জন সবকিছুতেই সংস্কৃতির প্রভাব অনেকটা।

পুজোকে কেন্দ্র করে যেমন বিভিন্ন লিটিল ম্যাগাজিন, দেওয়াল পত্রিকা, শারদ সংখ্যা বের হয়, তেমনই নাচে-গানেও সমানভাবে উমাকে স্বাগত জানানো হয়। একটা সময় যখন ক্যাসেট ছিল, তখন পুজোর সময় কুমার শানু, শ্রীকান্ত আচার্য, শান, লোপামুদ্রার মতো খ্যাতি সম্পূর্ণ শিল্পীরা নিজদের গানের অ্যালবাম বের করতেন। আলিপুরদুয়ার থেকেও কিছু গান বেরিয়েছে, তবে নিজেদের ক্যাসেট বানাতে পারেননি অনেকে। সময় বদলেছে। এখন গান রেকর্ড করে ক্যাসেট করতে হয় না, প্রয়োজন শুধু একটা ইউটিউব চ্যানেল। সেখানেই আপলোড হচ্ছে নাচ-গান। আলিপুরদুয়ারের সংগীতশিল্পীরা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন গান আপলোড করছে ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে। আলিপুরদুয়ার থেকেই পুজোর নতুন গান তৈরি করেছে জেহাদ নামে শহরের একটি মিউজিক ব্যান্ড। তাদের গানের নাম আগমনী। গান দিয়েই আবার তৈরি হয়েছে মিউজিক ভিডিও। গীতিকার রণবীর নিয়োগী এবং গান করেছেন কমলেন্দু ভট্টাচার্য। এর আগেও পুজোর গান বানানো হয়েছে বলে জানান ব্যান্ডের সদস্য শুভঙ্কর দত্ত।

- Advertisement -

পুজোর আরেকটি নতুন গান বানিয়েছে শহরের আরেক সংগীতশিল্পী বুম্বা কুণ্ডু। জয় দুগ্গা নামে ওই গানটি পঞ্চমীর দিন প্রকাশ পেয়েছে। পুজোর গানের পাশপাশি নাচের গানও বানাচ্ছেন অনেকে। ময়না নামের গান বানিয়েছেন বিজয় বণিক নামে আরেক সংগীতশিল্পী।