সব নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে, দাবি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

360
সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: করোনা আবহে সাফল্যের সঙ্গে বিহার বিধানসভা নির্বাচন করিয়ে কৃতিত্বের নয়া নজির সৃষ্টি করেছে নির্বাচন কমিশন। শাসক-বিরোধী সব শিবিরই সাধুবাদ জানিয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা ও তাঁর টিমকে। এই বছর আর নির্বাচন না থাকলেও আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু ও পণ্ডিচেরীর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। প্রস্তুতি শুরু হয়েছে কমিশনেও। শুরু হয়েছে আভ্যন্তরীণ পরিকল্পনাও। এ প্রসঙ্গে উঠে এসেছে বাংলার নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন কে? কারণ বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার মেয়াদ ফুরোচ্ছে ১৩ এপ্রিল, ২০২১ সালে।

সূত্রের খবর, বাংলা বিধানসভা নির্বাচন হতে পারে এপ্রিল মাসের শেষার্ধে। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুনীল অরোরা বলেন, তাঁর মেয়াদের মধ্যে হওয়া যাবতীয় রাজ্য নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংগঠিত হবে। নির্বাচন থাকুক বা না থাকুক নির্বাচন কমিশন কখনও বিশ্রাম নেয় না। সেখানে চলতেই থাকে কাজ। করোনা আবহে যথেষ্ট ঝুঁকি নিয়ে বিহার নির্বাচন করা হয়েছে ও তাতে কিন্তু সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। সেই মডেল সামনে রেখে আগামী কোনও নির্বাচন স্থগিত করা হবে না। যথাসময়ে হবে সমস্ত নির্বাচন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে আরও চ্যালেঞ্জিং। করোনা আবহে নির্বাচন সুরক্ষিত করতে সম্ভাব্য সমস্ত পদক্ষেপ নেবে কমিশন।

- Advertisement -

তিনি আরও বলেন, সেফ ইলেকশনের কথা মাথায় রেখে চলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের সুরক্ষা, প্রার্থীদের সুরক্ষা, সাধারণ মানুষের সুরক্ষা, নির্বাচনী আধিকারিকদের সুরক্ষা সহ সমস্ত ক্ষেত্রগুলিকে সুরক্ষিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে কমিশন। আগামী বিধানসভা নির্বাচনগুলিকে আরও সুরক্ষিত ও আঁটোসাটো করতে উদ্যোগী কমিশন। প্রতিটি নির্বাচনে স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রেখে আরও অনেক বেশি করে পোলিং স্টেশন রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। এর আগে বিহার নির্বাচনে ১.০৬ লক্ষ পোলিং স্টেশন রাখা হয়েছিল। এর পরেও সমালোচনা থাকবে কমিশনের কর্মপদ্ধতি নিয়ে, সেটি সিস্টেমের অংশ বলে তার থাকা জরুরি। সমালোচনা কমিশনকে আরও বেশি মজবুত করবে বলে জানান অরোরা।