তৃণমূল যুব নেতাকে মারধরের অভিযোগ, প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

145

বক্সিরহাট: তৃণমূল যুবর জেলা সাধারণ সম্পাদককে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরেকবার প্রকাশ্যে এল। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিরোধী গোষ্ঠী। বৃহস্পতিবার রাতে বক্সিরহাট থানার হরিপুরের ঘটনা।

বারকোদালি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা তথা তৃণমূল যুবর জেলা সাধারণ সম্পাদক বিকাশ গোস্বামীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারকোদালী-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে থেকে ফেরার সময় সঞ্জয় মান্তা নামে এক তৃণমূল কর্মী তাকে হরিপুর তৃণমূল পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে মাস্টার রোল তৈরির বিষয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে তৃণমূলের তুফানগঞ্জ-২ ব্লক সাধারণ সম্পাদক সুরেশ বর্মন ও তুফানগঞ্জ-২ ব্লক যুব সভাপতি মানিক বর্মনের লোকজন দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার ভাংচুরের পাশাপাশি তাকে মারধর করে। কোনওমতে সেখান থেকে পালিয়ে তিনি তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে আহত অবস্থায় ভর্তি হন। এব্যাপারে তিনি বক্সিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান।

- Advertisement -

বিকাশ গোস্বামীর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সুরেশ বর্মন ও মানিক বর্মন। তাঁরা জানান, এদিন তাঁরা দলের জেলা সভাপতিকে সংবর্ধনা দিতে কোচবিহারের গিয়েছিলেন। অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন বিকাশ গোস্বামী মদ খেয়ে দলীয় কার্যালয় গিয়ে উশৃংখলতা করেছেন। তাকে কেউ মারধর করেন নি। মানিকবাবু জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হরিপুর তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের কেয়ারটেকার মুকুল বর্মন ও দলের স্থানীয় বুথের যুব সভাপতি সঞ্জয় মান্তা জানান, এদিন বিকাশ গোস্বামী নিজে থেকেই মদ খেয়ে পার্টি অফিসে ঢুকে উশৃংখল আচরণ করে। চেয়ার ভেঙে ফেলে। পরে তারা তাকে বাড়ি ফিরে যেতে অনুরোধ করেন এবং বাধ্য হয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। যাবার সময় সে এতটাই মদ খেয়ে ছিল যে বাইক চালাতে গিয়ে পড়ে যায়। পরে তারাই তাকে উঠিয়ে পুনরায় বাড়ি পাঠিয়ে দেন। সে পড়ে গিয়ে কিছুটা চোট পেয়েছিল তাকে কেউ মারধোর করে নি। বক্সিরহাট থানার পুলিশ সূত্রে খবর, এনিয়ে কোনও অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি।