টাঙনের জল কমতেই অবৈধ ভাবে বালি তোলার অভিযোগ 

79

কুশমন্ডি: টাঙনের জল কমতেই অবৈধ ভাবে বালি তোলা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই বালি কারবারিরা নদীতে ট্র্যাক্টর নামিয়ে বালি তুলছে। ডিসেম্বর মাস পড়তে না পড়তেই নদীর জল কমতে শুরু করে। ফেব্রুয়ারি মাসে তলানিতে এসে দাঁড়ায় টাঙনের জল। এই সময় অবৈধ বালি কারবারিদের কারবার হয়ে ওঠে রমরমা। সরকারিভাবে বালি তোলার বরাদ পায় অল্প কয়েকজন বালি ব্যবসায়ী। নির্দিষ্ট কয়েকটি ঘাট থেকেই বালি তোলার অনুমতি দেয় ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। কিন্তু অবৈধ বালি কারবারিরা বালি তুলতে থাকে কুশমন্ডি ব্লকের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিন নম্বর উদয়পুর পঞ্চায়েতের মৌলাই গ্রাম থেকে শুরু করে দুই নম্বর করঞ্জি পঞ্চায়েত, চার নম্বর কুশমন্ডি পঞ্চায়েত, আট নম্বর মালিগাঁও ও সাত নম্বর কালিকামরা পঞ্চায়েত এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। সারা দিন ধরে চলতে থাকে বালি তোলার কাজ।

রোজকার বালি বিক্রি না হলে সেই বালি মহিপাল থেকে কুশমন্ডি যাওয়ার রাস্তার ধারে জমা করে রাখে বালি কারবারিরা। নদী থেকে বালি তুলে সেই বালি বাজারে আনার সময় ট্র্যাক্টর গুলিতে ঢাকা দেওয়া হয়না। শুকনো বালি উড়ে এসে পথচলতি মানুষের চোখে মুখে গায়ে পড়ে। বিশিষ্ট নাট্যকর্মী তপন মজুমদার বলেন, ‘এসবের পাশাপাশি অধিকাংশ ট্র্যাক্টরের এবং ট্রলির কোনও নম্বর নেই।’ তিনি বলেন। ‘নম্বর ছাড়া ট্র্যাক্টর গুলি কি করে রাস্তায় চলাচল করছে সেটা আশ্চর্যের। এপ্রসঙ্গে কুশমন্ডি ব্লক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর আধিকারিক প্রীতম দাস শর্মা বলেন, ‘অবৈধ বালি কারবারিদের ধরার অভিযান শুরু হয়েছে। ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর এই হুমকির জেরে অবৈধ বালি তোলা বন্ধ হয় কিনা সেদিকে তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।’

- Advertisement -