পুণ্ডিবাড়িতে নাবালিকা ধর্ষণ, অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে মিছিল    

1765

পুণ্ডিবাড়ি: পুণ্ডিবাড়িতে ৯ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৩২ বছর বয়সী যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবেশী ওই যুবক বিবাহিত। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩ অক্টোবর দুপুরে নির্যাতিতা শিশুটি অভিযুক্তের বাড়িতে খেলতে গিয়েছিল। সেসময় পুণ্ডিবাড়ি থানার মধ্য কালা রায়ের কুঠি এলাকার বাসিন্দা ওই যুবক নয় বছরের শিশুটিকে একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা কাউকে জানালে নির্যাতিতাকে প্রাণে মারার হুমকিও দেন অভিযুক্ত। সেকারণে শিশুটি প্রথমে ঘটনার কথা কাউকে জানায়নি।

- Advertisement -

১০ অক্টোবর রাতে শিশুটি তার মাকে সব ঘটনা খুলে বলে। সেই রাতেই নির্যাতিতাকে প্রথমে পুণ্ডিবাড়ির ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক শিশুটিকে কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল রেফার করেন। পরদিন নির্যাতিতাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক পরিবারের সদস্যদের পুণ্ডিবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে বলেন। গত রবিবার রাতে শিশুটির বাবা পুণ্ডিবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুণ্ডিবাড়ি থানার পুলিশ সেই রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত অভিযুক্তের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযুক্ত যুবকের স্ত্রী এবং দুই সন্তান রয়েছে। এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল। প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতাকে গোপন জবানবন্দির জন্য আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রতিনিধিরা মধ্য কালা রায়ের কুঠি এলাকায় নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়েছিলেন। এদিন বিকেলে সংগঠনের তরফে পুণ্ডিবাড়িতে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। পাশাপাশি অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।

পুণ্ডিবাড়ি থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, শিশুর পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার অভিযুক্তকে কোচবিহার জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জেল হেপাজেতের নির্দেশ দিয়েছেন। গোপন জবানবন্দির জন্য শিশুটিকে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।