কংগ্রেসের ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

136

হরিশ্চন্দ্রপুর: কংগ্রেসের ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের সাদলিচকের কুমেদপুর এলাকায়। রাতে তৃণমূলের কর্মীরা এই ফ্লেক্স ছিঁড়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

সূত্রের খবর, হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের সাদলিচকের কুমেদপুর এলাকায় কংগ্রেসের কর্মসূচির ব্যানার লাগানো হয়েছিল। রাতে তা ছিঁড়ে ফেলেছে দুষ্কৃতীরা। ১৪ ফেব্রুয়ারি হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের সাদলিচক স্কুল মাঠে একটি কনফারেন্সের আয়োজন করেছে কংগ্রেস। তার আগে কুমেদপুর রেল গেটের সামনে অনুষ্ঠানের প্রচারের জন্য কংগ্রেসের তরফে ফ্লেক্স লাগানো হয়েছিল। কিন্তু সকালে সেই সমস্ত ফ্লেক্স ছেঁড়া অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। রাতে তা ছিঁড়ে ফেলেছে তৃণমূল, এমনটাই অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।

- Advertisement -

বরাবর কংগ্রেসের গড় বলে পরিচিত হরিশচন্দ্রপুর বিধানসভা ২০১৬-তে যায় কংগ্রেসের দখলে। এবারও তা কংগ্রেসের দখলেই থাকবে এবং তা আন্দাজ করেই তৃণমূল তাদের কর্মসূচিতে ব্যাঘাত ঘটাতে চাইছে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। প্রশাসনের তরফে যেন এর সুবিচার করা হয় এমনটাই দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। অপরদিকে, তৃণমূল এই দায় অস্বীকার করে বলেছে, ‘হরিশ্চন্দ্রপুরে নাকি কংগ্রেস বিলীন হয়ে গিয়েছে। যাদের ঠিকা দিয়ে এসব কাজ করার দায়িত্ব দিয়েছে তারাই কাজ অর্ধেক রেখে পালিয়েছে। তাই এখন কংগ্রেস তৃণমূলের উপর দায় চাপিয়ে দাগ লাগাতে চাইছে। নির্বাচনের আগে এমন ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

কংগ্রেসের কর্মী আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘১৪ ফেব্রুয়ারি আমাদের হরিশ্চন্দ্রপুর ১, ২ একটা কনফারেন্স আছে। সেই অনুযায়ী আমাদের ব্যানার দিয়ে একটা গেট করেছিলাম। রাতের তৃণমূল কর্মীরা তা ছিঁড়ে ফেলে। আমাদের বিধায়ক মোস্তাক আলম সাহেব ও ব্লক সভাপতি আবুল কাশেম সাহেবকে জানিয়েছি এবং থানাতেও জানানো হয়েছে। এখানে সাবলিচকের মাটিতে অন্য কোনও শক্তিশালী দল নেই। এখানে কংগ্রেস আর তৃণমূলই প্রধান শক্তি। তাই অন্য কোনও দলের এটা করার কথা নয়। আমাদের সন্দেহ তৃণমূলই এই কাজটা করেছে।’

তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, ‘কংগ্রেসের আর কোনও অস্তিত্বই নেই হরিশ্চন্দ্রপুরে। এগুলো সব কংগ্রেসের ভাওতাবাজি। যাদের ঠিকাতে ওসব লাগাতে দিয়েছিল তারা অর্ধেক লাগিয়ে পালিয়েছে।’