ওজনে কম, পোকা ধরা খাদ্য সামগ্রী বিতরণের অভিযোগ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে

350

রাঙ্গালিবাজনা: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে বিলি করা খাদ্য সামগ্রী খাওয়ার উপযুক্ত নয়। এমন কি, সরকার নির্ধারিত মাথা পিছু বরাদ্দ খাদ্য সামগ্রীও উপভোক্তারা পাচ্ছেন না। শুক্রবার এই অভিযোগে আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ব্লকের পশ্চিম দেওগাঁওয়ের ৯৯ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখান উপভোক্তারা। ওই কেন্দ্রের কর্মী চন্দনা পাল দাসের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন উপভোক্তাদের অনেকেই। অনেকেই ওই চাল, ডাল, আলু নিতে অস্বীকার করেন।

তাদের অভিযোগ, চাল, ডাল, আলু সবই ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে। এক শিশুর অভিভাবক মোশারফ হোসেন বলেন, ” ২২২ গ্রাম ডাল , ১ কেজি ৮০০ গ্রাম চাল, ১ কেজি ৭০০ গ্রাম আলু দেওয়া হয়েছে। তাহলে বরাদ্দ খাদ্যসামগ্রী যাচ্ছে কোথায়?”

- Advertisement -

পশ্চিম দেওগাঁওয়ের ৯৯ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সুপারভাইজর শেফালিদেবী বলেন, “আমি ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীর সঙ্গে কথা বলেছি। উপভোক্তাদের সঙ্গেও কথা বলেছি। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক উপভোক্তা দুই কেজি চাল, দুই কেজি আলু ও তিনশো গ্রাম ডাল পাবেন।”

যদিও ওই কেন্দ্রের কর্মী চন্দনা পাল দাস বলেন, ” ২ কেজি করেই আলু দেওয়া হয়েছে। বস্তায় চাল কম থাকায় উপভোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই মাথাপিছু ১ কেজি ৮০০ গ্রাম করে চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, বস্তায় ২৫ কেজির বদলে ২৩ কেজি ডাল থাকায় মাথাপিছু ২৫০ গ্রাম করে ডাল দেওয়া হচ্ছিল। ডালগুলি মার্চ মাসে আনা হয়। তাই ডালগুলি একটু খারাপ হয়ে যায়। সেগুলি শুকিয়ে, ঝাড়াই করেই বিলি করা হচ্ছিল।”

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সুপারভাইজার শেফালি তালুকদার বলেন, “করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির জেরে ওই কেন্দ্রে যেতে পারিনি। মোবাইলে ওই কেন্দ্রের কর্মী ও উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। সরকারিভাবে উপভোক্তাদের জন্যই খাদ্যসামগ্রী বরাদ্দ করা হয়েছে। তাই ওই কেন্দ্রের কর্মীকে উপভোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই কাজ করতে বলা হয়েছে। ডালে পোকা থাকলে তা দিতে নিষেধ করা হয়েছে।”