গৃহবধূকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

218

বর্ধমান: গৃহবধূকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। মৃতার নাম পম্পা পাল (২৮)। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার উত্তরশুড়া গ্রামে। ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার বধূর দেহ বর্ধমান হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়। বধূর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এদিনই জামালপুর থানার পুলিশ তাঁর স্বামী বিশ্বজিৎ পাল ও শ্বশুর সুধাচন্দ্র পালকে আটক করেছে। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে। মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বধূর বাবা।

পুলিশ জানিয়েছে, হুগলি জেলার পাণ্ডুয়া থানার দাবড়া এলাকায় পম্পা পালের বাবার বাড়ি। বছর তিনেক আগে জামালপুরের উত্তরশুড়া গ্রামের বাসিন্দা সুধাচন্দ্র পালের পুত্র বিশ্বজিৎতের সঙ্গে পম্পার বিয়ে হয়। এই দম্পতির একবছর বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে। সোমবার রাতে শ্বশুরবাড়ির ঘর থেকে বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বধূর বাবার অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার ভিত্তিতে স্বামী ও শ্বশুরকে পাকড়াও করে বধূর মৃত্যুর তদন্ত শুরু হয়েছে।

- Advertisement -

বধূর বাবা অভয়পদ পাল লিখিত অভিযোগে পুলিশকে জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর মেয়ে পম্পার সঙ্গে অশান্তি করত জামাই বিশ্বজিৎ, শ্বশুর সুধাচন্দ্র পাল সহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যরা। উত্তরশুড়ার বাড়িতে এসে সেই অশান্তিতে মদত যোগাতেন মেয়ের বড় ননদ সিদ্ধেশ্বরী পাল, পিসি শাশুড়ি নিত্যবালা পাল ও তাঁদের স্বামী এবং পুত্ররা। অভয়পদ বাবু বলেন, এরা সকলে মিলে শ্বশুরবাড়িতে পম্পার উপর অত্যাচার চালাত। তারা গত দু’দিন ধরে পম্পার উপর অত্যাচার চালিয়েছে। অভয়পদ বাবুর অভিযোগ, জামাই ও তাঁর পরিবারের সকলে মিলে এরপর ষড়যন্ত্র করে সোমবার রাতে পম্পাকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সকলের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।