জম্মু ও কাশ্মীরে খতম ২০০ সন্ত্রাসবাদী জঙ্গি

408

শ্রীনগর: চিনের সঙ্গে আপসহীন সংঘাতপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে ভারত। প্রতিটি পদক্ষেপের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে দুদেশের তরফে। ভারতের তরফে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বারবার নানা মাধ্যমে সামনে চলে আসছে। আর এরই মধ্যে, সুরক্ষা বাহিনী এ বছর জম্মু ও কাশ্মীরে প্রায় ২০০ জন সন্ত্রাসবাদীকে খতম করেছে বলে এক সমীক্ষায় উঠে এল।

জাতীয় এক সংবাদ সংস্থার দেওয়া তথ্যে বলা হয়, এই পরিসংখ্যানগুলি কেবলমাত্র অক্টোবর মাস পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে৷ তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ২০১৯ সালে, ১৫৯ জন জঙ্গি দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে খতম হয়েছে। সিআরপিএফ, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ তথ্য অনুসারে, জুন মাসে সর্বাধিক ৪৯ জঙ্গি নিহত হয়েছিল।

- Advertisement -

সেই তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কাশ্মীরে সর্বাধিক সংখ্যক এনকাউন্টার হয়েছে। শুধুমাত্র এই অঞ্চলেই ১৩৮ টি এনকাউন্টার হয়। শোপিয়ান এবং পুলওয়ামার মতো অঞ্চলে ৯৮ টি এনকাউন্টার হয়। এর মধ্যে ৪৯ পুলওয়ামা এবং ৪৯ জন শোপিয়ানে ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ, শোপিয়ান এবং পুলওয়ামায় জঙ্গি সংগঠনগুলি স্থানীয় যুবকদের সন্ত্রাসের কাজে নিযুক্ত করে৷ উপার্জনের টোপ দিয়ে জঙ্গী কর্মকাণ্ডে তাদের যুক্ত করা হয়, এমনই জানা গিয়েছে৷

এবার হিজবুল মুজাহিদিনের বেশিরভাগ জঙ্গির মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পাক সমর্থিত এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের ৭২ জন জঙ্গি মারা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ সুরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লস্কর-ই-তৈয়বার ৫৯ জঙ্গিও নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ হামলা চালানোর দায়িত্বে রয়েছে লস্কর-ই-তৈয়বা। একই সঙ্গে, উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক, পুলিশ বা রাজনীতিকদের হত্যার সঙ্গে জড়িত হিজবুল মুজাহিদিন। জানা গিয়েছে, জয়েশ-ই-মহম্মদের ৩৭ জন সন্ত্রাসবাদীকে খতম করা হয়েছে। এ ছাড়াও শেষ হওয়া ৩২ জন জঙ্গি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামিক স্টেটও।