চার বছরে চালু হয়নি অ্যাম্বুল্যান্স

54

বুনিয়াদপুর: চার বছরেও চালু হল না নতুন অ্যাম্বুল্যান্স। ২০১৭ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারি ব্লকের গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজস্ব ফান্ড থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স কেনা হয়েছিল। পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ করে কেনা ওই অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে৷ গ্যারাজে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে অ্যাম্বুল্যান্সটি। করোনা পরিস্থিতিতে গ্রামেগঞ্জে অ্যাম্বুল্যান্সের অভাব দেখা দিয়েছে৷ স্বাস্থ্য দপ্তরও গ্রাম থেকে করোনা আক্রান্তদের হাসপাতলে আনতে হিমশিম খাচ্ছে৷ অভিযোগ, এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েতের ঘরে সরকারি সম্পত্তি পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

২০১৭ সালে বংশীহারি ব্লকের গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত সিপিআইএমের দখলে ছিল৷ ওই বছরের ৬ জুলাই এই অ্যাম্বুল্যান্স কেনা হয়। সেইসময় হরিরামপুর বিধানসভার তৎকালীন বিধায়ক রফিকুল ইসলাম এই অ্যাম্বুল্যান্সটি উদ্বোধন করেছিলেন। তার কয়েকদিন পরই অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি পঞ্চায়েত প্রধান সহ পাঁচ সিপিআইএম সদস্য দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দেন। সেই সঙ্গেই পঞ্চায়েতের দখল নেয় তৃণমূল৷ তারপর থেকেই সেই অ্যাম্বুল্যান্সটি এখনও অবধি সাধারণ মানুষের কাজে লাগেনি৷ বরং সেটি পঞ্চায়েতের গ্যারেজে তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে আধিকারিকদের জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

- Advertisement -

সিপিআইএমের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য অরুণকুমার দাস জানান, ২০১৭ সালের ৬ জুলাই অ্যাম্বুল্যান্সটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর থেকেই অ্যাম্বুল্যান্সটি পড়ে রয়েছে৷ এই বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান গোপাল ঠাকুর জানান, অ্যাম্বুল্যান্সটির রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য নথি পাওয়া যায়নি। বিডিওকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কাগজপত্র পেলে অ্যাম্বুল্যান্স চালানো হবে। বংশীহারি ব্লক সহ সভাপতি গণেশ প্রসাদ জানান, কাগজপত্রের জটিলতার কারণে অ্যাম্বুল্যান্স চালানো যাচ্ছে না। শীঘ্রই আরটিও-র সঙ্গে কথা বলে কাগজপত্র বের করা হবে। বংশীহারি ব্লকের বিডিও সুদেষ্ণা পাল জানান, তিনি বিষয়টি আরটিওকে জানাবেন৷ দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্সটি চালু করার চেষ্টা করা হবে।