ট্র্যাফিক সিগনাল তৈরি না হওয়ায় ক্ষোভ জটেশ্বর বাজারে

404

জটেশ্বর: প্রায় তিনবছর আগে ফালাকাটা-বীরপাড়া ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ সমাপ্ত হয়। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের পরেই যানবাহনের গতি বৃদ্ধি পায়। যার ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটতে থাকে জটেশ্বর বাজার এলাকায়। প্রায় এক বছর আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মীও।

তার পরে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা জটেশ্বর বাজারে তিনটি জায়গায় ট্র্যাফিক সিগনাল তৈরির দাবি জানান। স্থানীয়  পথচারিদের অভিযোগ জটেশ্বরে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর পরেই জটেশ্বর বাজারের উপর দিয়ে যাওয়া দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কর্তা ব্যাক্তিরা। তার পরেও দীর্ঘদিন কেটে গিয়েছে তবুও জটেশ্বর বাজারে ট্র্যাফিক সিগনাল তৈরি করা হয়নি বলে অভিযোগ।

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, ফালাকাটা ব্লকের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল এলাকা জটেশ্বর বাজার। জটেশ্বরে দুটি উচ্চমাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মার্কেট কমপ্লেক্স, সরকারি ও বেসরকারি বহু প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন বহু মানুষ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলি থেকে জটেশ্বর বাজারে আসেন। সেদিক থেকে ব্যাস্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় অনেকেই চলন্ত গাড়ির মুখোমুখি হচ্ছেন। যার জেরে প্রায়শই ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে দাবি পথচারীদের। তাই অবিলম্বে জটেশ্বর বাজারে ট্র্যাফিক সিগনাল তৈরির দাবি জানানো হয়েছে।

পথচারী সনজিৎ রায় বলেন, ‘বহু দরকারে প্রায়শই জটেশ্বর বাজারে যেতে হয়। বাজারের আলিনগর চৌপথী, কমপ্লেক্স ও কাছাড়ি মোড় এলাকায় বিপজ্জনক ভাবে সড়ক পারপার করতে হয়। এই তিনটি স্থানে ট্র্যাফিক সিগনাল তৈরি করা হলে ভাল হয়।‘

রবীন্দ্র মিঞ্জ বলেন, ‘সড়ক সম্প্রসারণের পর যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি অপর দিকে গতিও বেড়েছে। যার ফলে স্কুল পড়ুয়া ও বয়স্করা সহজেই সড়ক পারপার হতে পারেন না। বাজার এলাকায় তাই প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত। এবিষয়ে ফালাকাটার ট্র্যাফিক ওসি চঞ্চল ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি অবশ্যই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরব।