বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে তিনদিন ঘেরাও-এর হুমকি অনুব্রতর

116

বোলপুর: উপাচার্যকে বাড়ির মধ্যে তিনদিন ঘেরাও করবে বিশ্বভারতীর কর্মী ও অধ্যাপকরা। তৃণমূল তাদের সমর্থন করবে। উপাচার্যের পাগলামি ছাড়িয়ে দিতে হবে। বিশ্বভারতীর অধ্যাপক, কর্মী এবং ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকের পর উপাচার্যের বিরুদ্ধে এমনই হুংকার ছাড়লেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।
প্রসঙ্গত, বিশ্বভারতীতে উপাচার্য হিসাবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পদার্থবিদ্যা বিভাগের দুই অধ্যাপককে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড, তিন ছাত্রকে তিন বছরের জন বহিষ্কার সহ উপাচার্যের একাধিক কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ জন্মেছে বিশ্বভারতীর অন্দরে। এনিয়ে শান্তিনিকেতনের আশ্রমিকরাও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। সোচ্চার হয়েছিলেন ছাত্রছাত্রী থেকে অধ্যাপক, কর্মীরা। কিন্তু সাসপেন্ড সহ একাধিক শাস্তির জুজু দেখিয়ে আন্দোলনকে দমানোর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন উপাচার্য। সেই সঙ্গে বিশ্বভারতীর অন্দরে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটানো নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য। এনিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই ক্ষুব্ধ অনুব্রত মণ্ডল একাধিকবার হুঙ্কার ছেড়েছেন। সব শেষে তিন ছাত্রকে বহিষ্কার করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন অধ্যাপক, কর্মী থেকে ছাত্ররা। উপাচার্যের খামখেয়ালিপনার বিহিত করতে এদিন তাঁরা অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুরের বাড়িতে বৈঠক করেন। সেখানেই অনুব্রতর সামনে বিশ্বভারতীর অরাজকতা, রাজনীতিকরণ নিয়ে সোচ্চার হন তাঁরা। পরে অনুব্রত মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বভারতীর স্টাফরা এসেছিলেন। উপাচার্য যা ইচ্ছে তাই করছেন। আমরা ঠিক করেছি বিশ্বভারতীর স্টাফরা উপাচার্যকে ঘেরাও করবে তাঁর বাড়িতে। তার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সমর্থন করব। ২ সেপ্টেম্বরের পর আমরা আন্দোলনের দিন বলে দেব। তিনদিন ধরে ঘেরাও করে রাখা হবে। উপাচার্য পারলে আটকাবেন। উনি বিশ্বভারতীর অন্দরে জঞ্জালে ভরিয়ে দিয়েছেন। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নেই। উনি যা মন তাই করবেন! উনার পাগলামিটা ছাড়াতে হবে। পাগল উপাচার্য তো। কীভাবে পাগলামি ছাড়াতে হয় আমরা জানি।’ তবে এনিয়ে বিশ্বভারতীর কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।