রোজ হাঁটছেন, তবে নিয়ম মেনে তো ?

104

ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিদিনের জীবনে সকালে হাঁটা এবং ব্যায়াম অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। তাই সকলেরই উচিৎ জীবনের এই দাবি মেনে চলা। আপনার যদি সময় না হয় প্রাতঃভ্রমণের তাহলে আপনি ব্যাবহার করতে পারেন আপনার রাতের সময়টুকুকে। কাজের থেকে ফিরে খুব হাল্কা খাবার খেয়ে হাঁটার জন্যে উপযুক্ত জুতো পরে প্রথমে আস্তে-আস্তে তারপর লয় বাড়িয়ে দ্রুত হাঁটা যেতে পারে এমনটাই ডাক্তারদের অভিমত। এই বক্তব্যের পাশাপাশি আবার এটাও সত্যি যে সকালের বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ রাতের তুলনায় অনেক বেশি ফলে তা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই সময় আপনার হাতে আর তার ব্যবহারও আপনার হাতেই,  এর সাথে যা জরুরি তা হল পোশাক। হাঁটার উপযুক্ত হাল্কা আরামদায়ক সুতি পোশাকের প্রয়োজন যা বাতাসের আর্দ্রতার সাথে মিলিয়ে দেবে শরীরে তৈরি হওয়া গরম ভাবকে, তা নাহলে মানবদেহের নিজস্ব তাপেই সে হয়ে পড়বে অসুস্থ যা ডেকে আনবে উল্টো বিপত্তি। শরীর চর্চার শৌখিন মানুষ ছাড়াও রয়েছেন দায়ে পড়ে শরীর চর্চার মানুষজন যার মধ্যে মূলস্রোতে রয়েছেন দু’ধারার মানুষ, সুগার এবং প্রেশার; বেঁচে থাকার জন্যেই যাদের হাঁটাহাঁটি জরুরি।

ডাক্তারদের অভিমত হাঁটার সময় আপনার ঘাড় থাকবে সোজা কিন্তু দৃষ্টি থাকবে নীচে যাতে মনঃসংযোগ ব্যহত না হয় কোনভাবেই। শ্বাস নেওয়া এবং ছাড়ার সময় ছন্দ যেন বজায় থাকে কোনওভাবেই রিদমে অসুবিধে হলে থামতে হবে, বসতে হবে, শ্বাসবায়ু পর্যাপ্ত পরিমাণে নিয়ে আবার শুরু করতে হবে হাঁটা। এইসময়ে মুখে যেন মাস্ক না থাকে, তাহলে আপনার প্রশ্বাস বায়ুতেই আপনার ক্ষতি। রাস্তায় হাঁটলে হাঁটুর ওপর নজর দিতে হবে তা যেন সুরক্ষিত থাকে। দরকারে থেমে থেমে নিজের হাঁটুকে অভ্যস্ত করে তারপর মনোযোগী হতে হবে হাঁটার জন্য। মাথা ঘুরলে বা বুকে চাপ অনুভব করলে সঙ্গে সঙ্গে বসে পড়তে হবে। জল খেতে হবে এবং সেই দিনের জন্য হাঁটা বন্ধ করতে হবে। এইটুকু মেনে চললেই আপনার শরীর আগামীতে আপনার সম্পদ হবে তা বলাই বাহুল্য।

- Advertisement -