বালিয়া কাণ্ডে বিজেপি নেতা ধীরেন্দ্র সিংকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

210

লখনউ: বলিয়া হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ধীরেন্দ্র সিংকে গ্রেপ্তার করল উত্তর প্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।  রবিবার লখনউয়ের জ্ঞানেশ্বরী মিশ্র পার্ক এলাকা থেকে ধীরেন্দ্র সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

যদিও আগেই শোনা গিয়েছিল, ধৃত বিজেপি নেতা ধীরেন্দ্র সিং আদালতে আত্মসমর্পণের কথা ভাবছিলেন। এ বিষয়ে ধীরেন্দ্র স্থানীয় বিজেটি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। ধীরেন্দ্র সিংহের ঘনিষ্ঠের দাবি, ধীরেন্দ্র বলিয়া জেলা আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য একটি আবেদন পাঠিয়েছিল। যদিও, আদালত এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানা থেকে এ ধরনের কোনও আবেদন পায়নি। সাধারণ আতমসর্পণ করতে চায়লে স্থানীয় থানায় আবেদন জানাতে হয় অভিযুক্তকে। সেই আবেদন আদালতে জমা দিতে হয়। তাই এখন সংশ্লিষ্ট আদালত ধীরেন্দ্র সিংয়ের আত্মসমর্পণের আবেদন রয়েছে কিনা তা দেখতে চায়। অন্যদিকে অভিযুক্ত ধীরেন্দ্র সিং একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেছেন, তিনি নির্দোষ। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিযুক্তরা একে একে গ্রেপ্তার হয়েছে।

- Advertisement -

স্থানীয় বিধায়ক বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং শুক্রবার জানিয়েছিলেন, বালিয়া গুলি কাণ্ডে অভিযুক্ত ধীরেন্দ্র প্রতাপ সিং গেরুয়া দলের কর্মী। বালিয়া কাণ্ডে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সুরেন্দ্র সিং বলেন, ‘‌বিজেপি কর্মী হিসাবে কাজ করতেন ধীরেন্দ্র প্রতাপ সিং। গুলি চালানোর ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। এই ঘটনায় ধীরেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের বোন, বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও আহত হয়েছেন।’‌

এই ঘটনার পর বৈরিয়ার সমাজবাদী পার্টির নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক জয় প্রকাশ আঁচল মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বালিয়াতে রেশন দোকান বন্টন কাণ্ড নিয়ে অশান্তির সৃষ্টি হয় দুই দলের মধ্যে।  সেখানেই প্রকাশ্য সভায় ধীরেন্দ্র প্রতাপ সিং গুলি চালায় এবং মৃত্যু হয় ৪৬ বছরের জয়প্রকাশের। এর আগে কংগ্রেস নেতা সিবি মিশ্র জয়প্রকাশের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্থানীয় এসডিএম, সার্কেল অফিসার ও পুলিশের বেশ কিছু কর্মীকে বহিষ্কার করে ও এদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে বলে।