৬০ বেডের নয়া হাসপাতাল পেতে চলেছে আসানসোল

138

আসানসোল: আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা দিতে আসানসোল শহরে মিশন হাসপাতাল দুর্গাপুর চালু করল অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড পেশেন্ট কেয়ার ‘দ্য মিশন নেভারহুড’। বুধবার দুপুরে আসানসোলের জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড়ে এক অনুষ্ঠানে প্রথমে প্রদীপ জ্বালিয়ে ও পরে ফলক উন্মোচন করে এই ইউনিটের উদ্বোধন করেন রাজ্যের আইন ও পূর্ত দপ্তরের মন্ত্রী মলয় ঘটক। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী সৌমাত্মানন্দ মহারাজ, পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক বিভু গোয়েল, আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুর, আসানসোল পুরনিগমের পুর প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, মিশন হাসপাতালের এমডি তরুণ ভট্টাচার্য ও সমীর চট্টোপাধ্যায়।

মলয় ঘটক বলেন, ‘কলকাতা কর্পোরেশনের ওয়ার্ড সংখ্যা হল ১৪৪। আসানসোলের কর্পোরেশনের ওয়ার্ড সংখ্যা ১০৬। কিন্তু কলকাতার পরে শিলিগুড়ি ও দুর্গাপুরে অনেক বড় বড় হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। আসানসোলে তা হয়নি। অথচ এই আসানসোলের বাইরের ২৫ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা করাতে যান। যার পুরোটাই হয় আসানসোল জেলা হাসপাতালে। দুর্গাপুরের মিশন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আসানসোলের জন্য ভাবনাচিন্তা করায়, আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। অন্যদিকে, এদিনের অনুষ্ঠানে আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ বা আড্ডার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক তাপস বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘আড্ডার তরফে আসানসোলে-২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে ৫ বছর আগে একটি বেসরকারি সংস্থাকে হাসপাতাল তৈরির জন্য জমি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজও সেই জমিতে একটা ইঁটও গাঁথা হয়নি। আমরা অনুরোধ করছি ওই সংস্থা কাজ শুরু করুক। নাহলে জমি ফিরিয়ে দিক।’

- Advertisement -

মিশন হাসপাতালের চেয়ারম্যান তথা বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ সত্যজিৎ বসু বলেন, ‘আসানসোলের এই ইউনিটে আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা সহ অন্যান্য সব সুবিধা আছে। চলতি বছরের শেষে এখানে ৬০ বেডের একটি হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেখানে সিসিইউ ও আইসিইউয়ের ব্যবস্থা রাখা হবে। আসানসোলের এই ইউনিটে ৩০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও দুর্গাপুরে ২৫০ বেডের আরও একটি হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে। আগামী আগষ্ট মাসে তা চালু করা হবে। যেখানে ক্যান্সারের চিকিৎসা ও বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হবে।’