সৌরভ-শচীনের সতীর্থ এখন চা বিক্রেতা

শিলচর : একসময় ভারতের অন্যতম প্রতিশ্রুতিবান স্পিনার ধরা হত তাঁকে। শচীন তেন্ডুলকার, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও বল করেছেন। অসমের হয়ে বিজয় মার্চেন্ট ট্রফিতে রয়েছে হ্যাটট্রিকও। পেটের টানে সেই প্রকাশ ভগত আজ চা বিক্রেতা। দুবেলা অন্নের জন্য প্রতিদিনের কঠিন জীবনসংগ্রাম।

সালটা ২০০৩। বিশ্বকাপের বছর। তার আগে নিউজিল্যান্ড সফরের শিবির বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে। সৌরভ, শচীন, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণদের নেটে বোলিংয়ের জন্য ডাক পান প্রকাশ। কিউয়ি স্পিনার ড্যানিয়েল ভেত্তোরির মতো বোলিং অ্যাকশন। তাই বাড়তি কদর। সৌরভের পছন্দের নেটবোলার ছিলেন। প্রকাশের কথায়, সৌরভকে বল করার মুহূর্তগুলি কখনও ভুলব না। আমার বিরুদ্ধে নেটে খেলার জন্য সবসময় মুখিয়ে থাকত। আমাকে প্রচুর টিপসও দিয়েছিলেন।

- Advertisement -

অসমের হয়ে সমস্ত অনূর্ধ্ব পর্যায়ে সফল। বিজয় মার্চেন্ট ট্রফিতে তার পারফরমেন্স নজরে পড়ে নির্বাচকদেরও। রনজি ট্রফি খেলেছেন ২০১১-১২ মরশুম পর্যন্ত। কিন্তু বাবার মৃত্যুতে সংসারের দায়িত্ব। অল্পবয়সেই ক্রিকেট ছাড়তে হয়। লকডাউনে হারিয়েছেন চাকরিও। অগ্যতা রাস্তার ধারে বাবার চায়ের দোকানই ভরসা। চা-বিস্কুট-ঘুঘনি-পাউরুটি বিক্রি করে চলছে কোনওমতে দিনগুজরান প্রাক্তন স্পিনারের। হতাশা নিয়ে বলছিলেন, লকডাউনে কার্যত অভুক্ত কাটাতে হচ্ছে। সারাদিনে যা বিক্রি, তাতে দুবেলার খাবার জোটে না। অথচ, আমার সঙ্গে যারা রাজ্যস্তরে খেলেছে, সবাই সরকারি চাকরি পেয়েছে। আমিই শুধু…।

অন্যদিকে, জন্মদিন উপলক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছে জানালেন শচীন তেন্ডুলকর। সৌরভের কেরিয়ারের গোটাটাই শচীন কাছ থেকে দেখেছেন। সৌরভকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা সহ অন্যরাও। এদিন মহারাজের বাসভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।