রাজ্যের নির্দেশিকা উপেক্ষা করেই আসানসোল ডিভিশনে চলল লোকাল

60

আসানসোল: গোটা দেশের পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে চড়ছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। এমতবস্থায় মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার স্পষ্ট করেন, বৃহস্পতিবার থেকে লোকাল বা প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ জারি না হওয়া অবধি বন্ধ থাকবে লোকাল বা প্যাসেঞ্জার। যদিও সেই নির্দেশিকা উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবার আসানসোল স্টেশন থেকে চলল ৩টি প্যাসেঞ্জার বা ইএমইউ ট্রেন। যদিও আসানসোল রেল ডিভিশনের দাবি, রেলবোর্ড থেকে কোনও নির্দেশিকা আসেনি এখানে ইএমইউ বা প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলাচল বন্ধ করার বিষয়ে।

এদিন ভোর ৫টা ২৫ মিনিট, সকাল ৭টা ৪০ মিনিট ও বেলা ১০টা ২০ মিনিটে ট্রেনগুলি আসানসোল থেকে রওনা দেয় বর্ধমানের উদ্দেশ্যে। তারপরও প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলেছে। এতেই বিতর্কের মুখে আসানসোল রেল ডিভিশন। আসানসোল রেলডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক গৌতম সরকার বলেন, ‘আমাদের কাছে ট্রেন বন্ধের কোনও নির্দেশিকা আসেনি রেল মন্ত্রক বা বোর্ডের তরফে।’ তিনি আরও বলেন, ‘লোকাল ট্রেন হাওড়া বা শিয়ালদহ ডিভিশনে চলাচল করে। সেগুলোকে বলা হয় সাবারবান। আসানসোলে কোনও লোকাল ট্রেন চলে না। এখানকার ট্রেনগুলিকে বলা হয় নন- সাবারবান । এই ট্রেন বন্ধের ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। যতক্ষণ না সেই নির্দেশিকা আসছে ততক্ষণ চলবে। তবে ইতিমধ্যেই অনেক ট্রেনের যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রণ ও বাতিল করা হয়েছে। কর্মীদের জন্য ট্রেন চলাচল করছে।’

- Advertisement -

রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, আসানসোল রেল ডিভিশনের আওতায় রয়েছে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের একাংশ। আসানসোল থেকে বহু প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে ওই দুই রাজ্যে। সেক্ষেত্রে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া সময় সাপেক্ষ বিষয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রেলবোর্ড। বুধবার রাত পর্যন্ত বা বৃহস্পতিবার সকালেও এমন কোনও নির্দেশিকা আসেনি। আরও জানা গিয়েছে, বাংলায় বেশ কিছু প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকলেও বিহার ও ঝাড়খন্ডের কোন কোন ট্রেন চলবে বা চলবে না তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।