চৈত্রের মাঝেতেই ফের জলকষ্টে ধবাইল

81

কালিয়াগঞ্জ: চৈত্রের প্রখর রোদে জলের স্তর নেমে যেতেই জলকষ্টে জীবন অতিবাহিত করছে কালিয়াগঞ্জ ব্লকের মোস্তাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধবাইল এলাকার বাসিন্দারা। রোদের তীব্রতা মাথায় নিয়েই দূরে অবস্থিত ডিপ টিউবওয়েল থেকে জল নিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামবাসীরা। প্রায় ১১০০ মানুষের বসতিপূর্ণ এই গ্রামে দুই তিনটি মাত্র টিউবওয়েল রয়েছে। তাতেই চলছে প্রতিদিনের কাজকর্ম। গ্রামের অসুস্থ মানুষ থেকে শুরু করে গর্ভবতী মহিলাদের বাড়িতে দূরে থাকা টিউবওয়েল থেকে বালতি, হাড়ি, কলসি করে জল নিয়ে আসায় প্রচন্ড অসুবিধার সন্মূখিন হয়ে চলেছেন।

এই বছর প্রথম নয়। প্রতি বছর এই সময় জলের স্তর ওই এলাকায় এতোটাই নিচে নেমে যায় যে কমপক্ষে দুই মাস এই জল কষ্টে ভোগা তাদের সয়ে গিয়েছে। স্থানীয় ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে বিধায়ক, গ্রাম পঞ্চায়েতে বলেও মেলেনি সুরাহা।

- Advertisement -

এই বিষয়ে বাজে ধবাইলের বাসিন্দা নাসেরা বেওয়া বলেন, ‘আমাদের জীবনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে এই জলকষ্ট। আমাদের পাড়ায় ১০০ বাড়ি রয়েছে। তিনটি কল থাকলেও এই মুহুর্তে মাত্র একটি কল থেকে জল ওঠে। কোন দিন ওই কলটিও খারাপ হয়ে যাবে। দূরের পাড়া থেকে খাওয়া, রান্নার জল বয়ে আনতে হয়।’

স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জানিয়েও কোন সুরাহা পাইনি বলে জানালেন ওই এলাকার বাসিন্দা মুরাদ বক্স। তিনি বলেন, ‘আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। সকাল হতেই কাজের ধান্দায় বাড়ি থেকে শহরের অভিমূখে বেড়িয়ে পড়ি। পাড়ার  টিউবওয়েলে জল না ওঠায় বাড়ির মহিলাদের বাধ্য হয়েই দূরে জল আনতে যেতে হয়। শারীরিকভাবে অসুস্থ, গর্ভবতী  মায়েদের প্রচন্ড কষ্ট হয়। স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জানাব।’

এই বিষয়ে কালিয়াগঞ্জ ব্লকের জয়েন্ট বিডিও ডুমিত লেপচাত বলেন, ‘আমার কাছে এই বিষয়ে কোন খবর নেই। তবে, আমি খুব তাড়াতাড়ি এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করব।’