এলেন হাবাস-কাউকো, অনুশীলন শুরু বাগানে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : এএফসি কাপের প্রস্তুতি নিতে শহরে এসে গেলেন সদ্য ইউরো কাপ খেলা ফিনল্যান্ডের তারকা মিডফিল্ডার জনি কাউকো। এদিন একই বিমানে এলেন কোচ আন্তনিও লোপেজ হাবাস ও তাঁর কোচিং স্টাফেরাও।

এদিন সকালেই কলকাতায় পা দেন জনি কাউকো। এর আগে আরও এক জনি এরকমভাবেই সদ্য বিশ্বকাপ খেলে এই শহরে এসেছিলেন। তিনি জনি আকোস্তা। রাশিয়া বিশ্বকাপের পরেই তিনি আসেন লাল-হলুদে খেলতে। এবার সবুজ-মেরুন জার্সিতে দেখা যাবে ফিনল্যান্ডের হয়ে সদ্য ইউরো কাপে খেলা জনি কাউকোকে। এদিন সকালে বিমানবন্দরে তাঁকে বরন করে নিতে হাজির ছিলেন মোহনবাগানের একটি ফ্যান ক্লাবের সদস্যরা। তাঁরা সবার হাতে টেরাকোটার দুর্গামুর্তি ও ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছা জানান। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি যে হোটেলে থাকবেন সবুজ মেরুন ফুটবলাররা, বাইপাসের ধারের সেই পাঁচতারা হোটেলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়।

- Advertisement -

সম্পূর্ণ জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখা হচ্ছে হাবাস এবং তাঁর ছেলেদের। ইতিমধ্যেই ভিন রাজ্যের ফুটবলারদের বেশিরভাগ ফুটবলার হোটেলে ঢুকে পড়েছেন। চলে এসেছেন স্থানীয়রাও। যাঁরা পৌঁছে গেলেন প্রত্যেকের আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হয়ে গিয়েছে। হোটেলের মধ্যেও একেবারে আলাদাকরে রাখা হচ্ছে গোটা সবুজ-মেরুন বাহিনীকে। এমনকি লিফটও তাঁরা আলাদা ব্যবহার করবেন। বিশেষকরে জৈব সুরক্ষা বলয় ভাঙায় যেহেতু বেঙ্গালুরু এফসিকে মালদ্বীপ থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাই এবার কোনও সমস্যার সৃষ্টি হোক, তা চাইছে না টিম ম্যানেজমেন্ট।

কলকাতায় পা দিয়ে অনুশীলন শুরু করার কথা জানিয়ে দিয়েছেন হাবাস। মঙ্গলবার বিকেলে যুবভারতীর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে নামছেন সন্দেশ-প্রীতমরা। তবে বাইরের কাউকে তো বটেই এমনকি ক্লাবেরও লোকজনকে ধারেকাছে ঘেঁষতে বারন করা হয়েছে জৈব সুরক্ষা বলয়ের কথা মাথায় রেখে। এদিন কলকাতায় পা দিয়ে কাউকো বললেন, নতুন পরিবেশে মানিয়ে ভালো খেলাটা একটা চ্যালেঞ্জ। আমি খুবই উত্তেজিত, একটা নতুন দেশে এসে সেখানকার সেরা ক্লাবের হয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছি বলে। এই ক্লাবের ঐতিহ্যের কথা শুনেছি। এটাও জানি যে কোটি কোটি সমর্থক সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছেন। আশা করছি ভালো খেলে দলকে ট্রফি দিতে এবং সমর্থকদের খুশি করতে পারব।

কাউকো ছাড়া অবশ্য আর কোনও বিদেশি এখনও কলকাতায় এসে পৌঁছাননি। সোমবার প্যারিস থেকে রওনা দিয়েছেন হুগো বৌমাস। বাকিরাও এই সপ্তাহের মধ্যেই এসে পড়বেন বলে আশা করা হচ্ছে। মোহনবাগান তাদের এএফসি কাপ অভিযান শুরু করতে চলেছে ১৮ অগাস্ট। গ্রুপের বাকিদের যা শক্তি তাতে হাবাসের দলের গ্রুপ পর্যায়ের বাধা টপকানোর সম্ভাবনা প্রবল। সেক্ষেত্রে নক্ আউট পর্যায়ের খেলা সেপ্টেম্বরে খেলতে হবে তাদের।