এএফসি কাপে সবুজ-মেরুন স্বপ্ন

মালে : কথায় বলে শুরুটা দেখে শেষটা বোঝা যায়। ম্যাচ শেষের ৩ পয়েন্টের জন্যই নয়, খেলার শুরু থেকেই এদিন উচ্ছসিত সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। কারণ বহুকাল বাদে টেলিভিশনের পর্দায় স্কোরবোর্ড জুড়ে শুধুই মোহনবাগান। এএফসির টুর্নামেন্টে এটিকে নামটা ছাঁটাই কারণ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এই টুনামেন্টে খেলার সুযোগ পায় মোহনবাগান।

বিরতির আগেই তাঁদের উচ্ছাস দ্বিগুন করলেন রয় কৃষ্ণা। সেট পিসে যে এবার এটিকে মোহনবাগান বহু দলকেই কাঁদিয়ে ছাড়বে, তার উৎকৃষ্ট উদাহরন এদিনের ম্যাচ। হুগো বৌমাস এসে যাওয়ায় বক্সের আশেপাশে পাওয়া প্রতিটি সেট পিসই ভয়ঙ্কর দেখালো। সারা মাঠ জুড়ে খেললেন তিনি। গোলটাও বিরতির খানিক আগে কর্ণার থেকে। হুগোর কর্ণার হেড করে শুভাশিস বসু ৬ গজের মধ্যে ফেললে অরক্ষিত রয় কৃষ্ণা নিঁখুত ব্যাক হেডে বল জালে জড়ান।

- Advertisement -

অবাক লাগলো কৃষ্ণাকে মার্ক করার কোনো চেষ্টাই করলেন না সুরেশ সিং। গোলটার ক্ষেত্রে হেড করে বলটা ভাসিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতিত্ব প্রাপ্য শুভাশিসের। সদ্য বিয়ে করেছেন তিনি। সম্ভবত লেডি লাকেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তাঁর গোল পাওয়া। ডেভিড উইলিয়ামস দুই ডিফেন্ডারের মধ্যে থেকে যে নীচু ক্রসটা রেখেছিলেন তা একটা হাফ টার্নে ঘুরেই গোলে পাঠান শুভাশিস। কোনওকালেই গুরপ্রীত সিং সান্ধু নীচের বলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেন না। এক্ষেত্রেও পারলেন না। ওই ২-০র পর হালই ছেড়ে দিল মার্কো পেজাউলির দল।

বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে হাবাস তাঁর জয়ের রেকর্ড অক্ষত রাখার পাশাপাশি পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার স্বপ্নও দেখালেন। বাগানের পরের ম্যাচ মালদ্বীপের মেজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েন ক্লাবের বিরুদ্ধে।