ওপার বাংলার নাবিবের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা প্রীতমের

96

সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা : এপার বাংলা ওপার বাংলা। তার মধ্যে যোগসূত্র ফুটবল। সেই ফুটবলের হাত ধরেই সৌহার্দ্যের অনন্য নির্দশন রাখলেন প্রীতম কোটাল। হাঁটুর চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন জাতীয় দল ও ঢাকা আবাহনীর ফরোয়ার্ড নাবিব নেওয়াজ জীবন। ক্লাব সতীর্থ রায়হান হাসানের মারফত যোগাযোগ হয়েছিল প্রীতমের সঙ্গে।

পরিবারের কাউকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। ফলে বিদেশ বিভুঁইয়ে সেই প্রীতমই হয়ে উঠেছেন জীবনের ভরসা। কলকাতায় পা রাখার পর গত সপ্তাহে নাবিবকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগানের ডিফেন্ডার। চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের জাতীয় দলে খেলা এই ফরোয়ার্ড।

- Advertisement -

গত রবিবার হাঁটুতে সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে ঢাকা আবাহনীর ফুটবলারটির। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। কলকাতায় পরিচিত বলতে নাবিবের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়। আর প্রীতম। ভারতের জাতীয় দলের তারকা ফুটবলারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ফুটে বেরলো পদ্মাপারের ফুটবলারের গলায়। ফোনে বললেন, প্রীতম ভাই অনেক সাহায্য করেছেন। কলকাতায় আসার পর থেকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া। কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা তার খোঁজ নেওয়  সব করছেন। আমার এক আত্মীয় আজিজ ভাইও রয়েছেন। তিনি যথাসাধ্য করেছেন। আপাতত সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার ভাবনায় ডুবে নাবিব। তাঁকে ঘিরে উৎকণ্ঠায় রয়েছে পরিবারও।

আর প্রীতম? জীবন প্রসঙ্গ উঠতেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বললেন, একজন স্পোর্টসম্যান হিসেবে আরেক স্পোর্টসম্যানের পাশে দাঁড়ানোটা নতুন কোনও ব্যাপার নয়। বরং এটাই তো স্বাভাবিক। সবচেয়ে বড় কথা মানুষ হয়ে মানুষের পাশে না দাঁড়াই তাহলে সমাজে বাস করে কী লাভ!

কলকাতায় কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে। উদ্বেগ বাড়ছে প্রীতমেরও। সামনেই এএফসি কাপের প্রস্তুতিতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। কোভিড আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে এএফসির মঞ্চে ভালো ফলকেই পাখির চোখ করছেন বাংলার প্রীতম।