কেন্দুয়া টোল প্লাজায় বিধায়কের উপর হামলা

112

ফারাক্কা, ১৮ জুলাইঃ ফারাক্কার কেন্দুয়া টোল প্লাজার বিরুদ্ধে সঠিক নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন ট্রাক চালকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন থেকে একই অভিযোগের কারণে, সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম রবিবার বিকেল নাগাদ ওই টোল প্লাজায় যান। অফিস ঘরে ঢোকার মুখে হঠাৎই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এলোপাথাড়ি ইট-পাথর, লাঠি চালাতে থাকে। ছোঁড়া পাথরের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন অনেকে। কারও মাথা ফেঁটে গিয়েছে। আবার অনেকের পিঠে, বুকে এবং পায়ে লাঠির আঘাত লাগে। বিধায়ক তাঁর নিরাপত্তারক্ষী সহ কোনও রকমে একটা ঘরে ঢুকে নিজের প্রাণে বাঁচান। এ ঘটনায় কংগ্রেসের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিধায়ক।

বিধায়ক বলেন, কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীবাহিনী এই আক্রমণ করেছে। আমি থানায় গিয়েছি। অবিলম্বে এই কাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলছি। একজন জনপ্রতিনিধির উপর এরকম আক্রমণ ভাবা যায় না। ওঁরা একপ্রকার আমাকে প্রাণে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুঁটে যায় ফারাক্কা থানার পুলিশ। ফারাক্কার এসডিপিও অসীম খান বাহিনী নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম ফারাক্কা থানায় যান। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আনজুমারা খাতুন, তৃণমূল নেতা অরুণময় দাস, আবদুস সালাম প্রমুখ সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন।

- Advertisement -

ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম থানার সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, দলের সমস্যা দীর্ঘদিন থেকে চলছিল বলে, অন্যায়ভাবে পয়সা নেওয়া চলছিল। আমাকে আগেও বহু ট্রাক মালিক ও চালকরা এ বিষয়ে বলেছিলেন। তাই বিষয়টা সরেজমিনে দেখতে আমি টোল প্লাজার অফিসে কথা বলতে যাই। লাঠি, পিস্তল, বোমা ইত্যাদি নিয়ে একদল দুষ্কৃতী আমার উপর চড়াও হয়। ওরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এসেছিল আমাকে মারবে বলে। সেই মতো লোকজন ইট-পাথর লাঠিসোঁটা সব রেডি করে রেখেছিল। আমি কোনও মতে একটা বাড়িতে পালিয়ে প্রাণে বাঁচি। একজন জনপ্রতিনিধির উপরে এ রকমের আক্রমণ মেনে নেওয়া যায় না। আমি কোনও ক্রমে পালিয়ে গিয়ে নিজের প্রাণটাই বাঁচিয়েছি।