বর্ধমান মেডিকেলে আরমানের মৃতদেহর ময়নাতদন্ত, উত্তাল বরাকর

117

আসানসোল: কুলটি থানার বরাকরের ঘটনা নিয়ে কার্যত দিশেহারা আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ। পুলিশ লকআপে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সঙ্গে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসা মহঃ আরমান আনসারির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবারের সেই ঘটনায় এখনও উত্তপ্ত রয়েছে বরাকর। বুধবার সকাল থেকে গোটা বরাকর এলাকা খুবই উত্তপ্ত ছিলো। এদিন সকাল থেকে দফায় দফায় বরাকর শহরের জিটি রোড সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় অবরোধ করা হয়। আগুন জ্বালিয়ো চলে বিক্ষোভ। বলতে গেলে এদিন আরও অস্বস্তি বাড়ে পুলিশের।

জানা গেছে, দিন কয়েক আগে বরাকরের বেগুনিয়ায় বিসিসিএলের ১০ টি আবাসনে চুরির ঘটনা ঘটেছিলো। সেই ঘটনার কিনারা করতে শুধু মহঃ আরমান আনসারি নয় বরাকর ফাঁড়ির পুলিশ হেপাজতে নিয়েছিল বরাকরের বিভিন্ন এলাকার ৯ জন যুবককে। পুলিশের দাবি, এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আগে থেকেই চুরির মতো ঘটনার মামলা রয়েছে। সোমবার রাতে আরমানকে পুলিশ মারতে মারতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার তাকে কুলটি থানার লকআপ থেকে অচৈতন্য অবস্থায় আসানসোল জেলা হাসপাতালে পুলিশ নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। লকআপে মারধরের কারণে শ্যামলের এই অবস্থা বলে তার স্ত্রী সুচিত্রা বাউরি, মা ও কাকা সহ পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ ।

- Advertisement -

এদিকে আসানসোল দূর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুর এদিন বলেন, ‘তদন্ত করা হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখে তা করা হচ্ছে। ২ জনকে মঙ্গলবারই সাসপেন্ড করা হয়েছে।’

পুলিশের অন্য একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় কুলটি থানা ও বরাকর ফাঁড়ির আরও কয়েকজন অফিসার ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদেরকেও শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।