নয়াদিল্লি, ৯ নভেম্বরঃ যেসব তথ্য মাথায় রেখে রায় দিল সুপ্রিমকোর্ট

১. সরকারি খাতা অনুযায়ী ওই বিতর্কিত জমির মালিক কেন্দ্রীয় সরকার।

২. মসজিদ কে বানিয়েছিল, কখন বানানো হয়েছিল তার কোনও প্রমাণ নেই।

৩. পুরাতত্ত্ব বিভাগ জানিয়েছে, বিতর্কিত সৌধের নীচে একটি ধাঁচা রয়েছে। এ ব্যাপারে তথ্য-প্রমাণও পেশ করেছে পুরাতত্ত্ব বিভাগ।

৪. পুরাতত্ত্ব বিভাগ এমন কোনও তথ্য দেয়নি যে ওই ধাঁচা ভেঙেই মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। তাছাড়া সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘পুরাতত্ত্ব বিভাগ এও নিশ্চিত করে বলেনি যে ওই ধাঁচা মন্দিরই ছিল। তবে এটা ঠিক যে খালি জমির উপর মসজিদ নির্মিত হয়নি।’

৫. প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘শুনানির সময়ে এই দাবি করা হয়েছে যে হিন্দুরা ওই সৌধের কাছে পুজার্চনা করতেন। তবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড দাবি করেছে, মসজিদ ভাঙার আগে সেখানে নিয়মিত নমাজ পড়া হত। দুই সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্মাচরণ করত।’

৬. ১৯৪৫ সালের অর্ডারকে চ্যালেঞ্জ করে শিয়া ওয়াকফ বোর্ড যে পিটিশন দাখিল করেছিল তা সর্বসম্মতিতে খারিজ করা হচ্ছে।

৭. জমির মালিকানা দাবি করে নির্মোহী আখাড়া যে টাইটেল স্যুট দাখিল করেছিল তাও খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।

৮. প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সীতা রসুইয়ের উপর অধিকারের দাবি করেছে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড। তাদের দাবি, তারা দীর্ঘ দিন ধরে সেই স্থান ব্যবহার করত। কিন্তু সেই দাবির সপক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনও যুক্তি নেই।’

৯. জমির মালিকানা নিয়ে নির্মোহী আখাড়ার দাবি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। তেমনই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ওই বিতর্কিত জমির যে মালিকানা দাবি করেছে সুপ্রিমকোর্ট তারও কোনও ভিত্তি নেই।

১০. অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি সরকারি রিসিভারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই জমি তিনভাগে ভাগ করার যে সিদ্ধান্ত এলাহাবাদ হাইকোর্ট নিয়েছিল তা সঠিক ছিল না।