মমতার ‘হোঁদল কুতকুত’ মন্তব্যের পালটা কটাক্ষ বাবুলের

199

কলকাতা: পাখির চোখ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগেই রাজ্যে তুঙ্গে তৃণমূল-বিজেপি তরজা। বিভিন্ন সভামঞ্চ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একে অপরকে তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছেন ঘাসফুল-পদ্ম শিবিরের নেতারা। তবে মাঝে মধ্যেই সেই আক্রমণের ভাষা শালীনতার সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে।

বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে একটি জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, ’দেশে এখন দুটো নেতা। একটা নেতা হচ্ছে হোঁদল কুতকুত। আরেকটা নেতা হচ্ছে কিম্ভূতকিমাকার।‘ আর প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজেপি। আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন,

- Advertisement -

’ছিঃ! এই একজন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই  দেখেছি, জেনেছি। কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন।‘

বাবুলের কটাক্ষ, ’আপনি আবার নিজেকে বাংলার গর্ব বলেন? বাংলার সর্বোচ্চ পদে আসীন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী- আপনিই বাঙালির সর্বোচ্চ লজ্জা।’

বিজেপি নেতারাও মাঝেমধ্যেই শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে ‘যৌনকর্মী’ বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।‘ দুই দলের নেতারা যেভাবে শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে একে অন্যকে আক্রমণ করছেন তা মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছে না জনতা জনার্দন।