তিন কোটির কমিউনিটি হল অবহেলায় ধুঁকছে

116

চ্যাংরাবান্ধা :  প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কমিউনিটি হল অবহেলায় ধুঁকছে। কয়েক বছরেই কমিউনিটি হলটির বেহাল দশা। কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে থাকা একমাত্র কমিউনিটি হল নিয়ে এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের হেলদোল নেই বলেও অভিযোগ। কমিউনিটি হলের সামনে কোনও সীমানাপ্রাচীর নেই। যার ফলে রাতের অন্ধকারে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। কমিউনিটি হলের সামনে মদের বোতলও পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, গোরু পাচারকারীরাও রাতের বেলা এই কমিউনিটি হলের নীচে আশ্রয় নিচ্ছে বলেও মাঝেমধ্যে অভিযোগ উঠে আসে।

মেখলিগঞ্জ ব্লক প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, হলের পুরো অংশেই সীমানাপ্রাচীর দিয়ে ঘেরা ছিল। কিন্তু মাঝে এশিয়ান হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে রাস্তা চওড়া করার কারণে সীমানাপ্রাচীর ভাঙা পড়েছে। কিন্তু প্রায় বছর দুয়েক আগে সীমানাপ্রাচীর ভাঙা পড়ার পর এতদিনেও কেন প্রাচীর তৈরি হয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  ২০০৮ সালে চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের ট্রাক টার্মিনাস সংলগ্ন এলাকায় সার্ক রোডের পাশে আধুনিকমানের কমিউনিটি হলের শিলান্যাস করা হয়েছিল। মাঝে কয়েক বছর কাজ থমকে থাকার পর তৃণমূল সরকার এসে ভবনটির কাজ সম্পন্ন করে হলটি চালুও করে দেয়। কিন্তু কিছুদিন পরেই হলের চাঙড় খসে পড়ে। বসার আসন নষ্ট হয়ে যায়। হলটি সংস্কার করা হলেও আর কাজে লাগানো হচ্ছে না। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের তরফে হলটি তৈরি করা হলেও মেখলিগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির তরফে হলটির দেখভাল করা হয়। কিন্তু তাদের তরফে সঠিকভাবে হলের রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। হলের সামনে থাকা সাইনবোর্ডও উধাও হয়ে গিয়েছে।  এ সম্পর্কে মেখলিগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিয়তি সরকার বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনাও করা হয়েছে। এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মেখলিগঞ্জ ব্লকের বিডিও সাঙ্গে ইউডেন ভুটিয়া।

- Advertisement -