দুই বছরেও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণিকক্ষ সংস্কার হয়নি, সমস্য়ায় পড়ুয়ারা

420

সিতাই : দুবছর আগে ঝড়ে সিতাই ব্লকের ঢেকিয়াজান প্রাইমারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আজও সেই ঘরগুলি সংস্কার হয়নি। ফলে পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আবেদন জানিয়ে সমস্যার সমাধান হয়নি।

সিতাইয়ে ব্রহ্মোত্তরচাতরা গ্রাম পঞ্চায়ে এলাকায় রয়েছে, ঢেকিয়াজান প্রাইমারি স্কুলটি। ঢেকিয়াজান, জাটিগাড়া ও বারোবাংলা গ্রামের শিশুরা এই স্কুলে লেখাপড়া করে। আগে স্কুলের পাঁচটি শ্রেণিকক্ষে পড়ুয়াদের পড়াশোনা চলত। কিন্তু ২০১৮ সালের ঝড়ে স্কুলের দুটি শ্রেণিকক্ষের চাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন থেকেই সমস্যা শুরু হয়। দিন কয়েকের মধ্যেই স্কুলের তরফে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণিকক্ষ সারাইয়ের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হলেও আজ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি। ফলে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের। ওই দুটি শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা বন্ধ হয়েছে। ফলে বাকি কক্ষগুলিতেই সব শ্রেণির পড়ুয়াদের পড়াশোনা চলে। স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের মধ্যে উৎপল রায়সরকার, বাপি বর্মন জানায়, আগে তারা যে শ্রেণিকক্ষে বসত, সেটির চাল ঝড়ে উড়ে গিয়েছে। এরপর থেকে তাদের অসুবিধার মধ্যে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এই ঘটনায় অভিভাবকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, দুবছর ধরে শ্রেণিকক্ষ এভাবে পড়ে রয়েছে, অথচ তা সংস্কার হচ্ছে না। আমাদের শিশুদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু শুধুমাত্র দেখা ছাড়া আমাদের করার কিছু নেই। অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণিকক্ষগুলি সংস্কার করা হোক।

- Advertisement -

এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক রামপ্রসাদ রায় বলেন, ঝড়ে স্কুলের ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দিনকয়েকের মধ্যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া পাইনি। এখনও পর্যন্ত ঘরগুলি ওই অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে। সিতাই সার্কেলের এসআই লিটন বিশ্বাস জানান, বিষয়টি তখনই ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানানো হয়েছিল। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে কাজ করা হবে বলে জানান তিনি। সিতাইয়ে বিডিও অমিতকুমার মণ্ডল বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে প্রযোজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।