বর্ষায় পুকুর, শুখা মরশুমে ধুলোয় ঢাকছে রাস্তা

246

দেবদর্শন চন্দ  কোচবিহার : কোচবিহার শহরের রেলগুমটি এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি রাস্তা বেশ কিছুদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। রাস্তার বেশ কিছু জায়গায় ছোটো-বড়ো গর্ত তৈরি হয়েছে। রাস্তাটিতে বেশিরভাগ জায়গায় পিচের চাদর উঠে পাথর বেরিয়ে এসেছে।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, বছরখানেক ধরে রাস্তাটির এই অবস্থা। মাঝে একবার জোড়াতালি দিয়ে রাস্তাটি ঠিক করা হলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার তা বেহাল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বর্ষাকালে জল জমে থাকা ও অন্য সময়ে ধুলোর সমস্যায় এলাকাবাসীকে জেরবার হতে হয়। রাস্তাটির পাশে কোনো নর্দমা নেই। ফলে বর্ষাকালে সেটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার এবং স্থায়ী নিকাশিনালা তৈরির দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ওই রাস্তাটি শহরের সঙ্গে নিউ কোচবিহারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। যানজট এড়াতে বা ট্রেন ধরতে নিউ কোচবিহারে যেতে অনেকেই রাস্তাটি ব্যবহার করেন। কিন্তু রাস্তাটির এই বেহাল দশার ফলে যাতায়াত করতে সমস্যা হচ্ছে।

- Advertisement -

এলাকার বাসিন্দা রতন রায় বলেন, সারাদিন ধরেই ভারী ট্রাক সহ বহু গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। রাস্তার পাশে কোনো নর্দমা না থাকায় বর্ষায় রাস্তাটি পুকুরে পরিণত হয়। বেহাল দশার কারণে মাঝেমধ্যেই এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে। অপর এক বাসিন্দা রিনা দত্ত বলেন, পিচ উঠে রাস্তার কঙ্কালসার অবস্থা বেরিয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যে গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। নিকাশিনালা না থাকায় বর্ষায় বাড়িঘরে জল ঢুকে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্র ব্যবস্থা নিক। পথচারী সঞ্জীব মাহাতো বলেন, পকেট রোড হওয়ায় যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই রাস্তা ব্যবহার করি। কিন্তু রাস্তাটির ভাঙা অংশে পাথর বেরিয়ে পড়ায় দুর্ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে পুরসভার ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান ভূষণ সিং বলেন, ওই এলাকার নিকাশিনালা করতে গেলেই কিছু বাসিন্দা তাতে বাধা দেয়। ফলে আমরা কাজ করতে পারিনি। রাস্তাটি সম্ভবত পূর্ত দপ্তরের। পূর্ত দপ্তরের এগ্জিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার নিমাইচন্দ্র পালের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব না হওয়ায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।