পিছু হটলেন ব্যানক্রফট, যৌথ বিবৃতি কামিন্সদের

সিডনি : বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন।

ঘুরিয়ে দাবি করেছিলেন, দলের বোলাররাও বল বিকৃতির বিষয়টি জানত। যদিও নিজের সেই অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন ক্যামেরন ব্যানক্রফট। সোমবার বোর্ডের তদন্তকারী টিমকে জানিয়ে দিয়েছেন, স্যান্ডপেপার গেটে দেওয়ার মতো নতুন কোনও তথ্য তার কাছে নেই।

- Advertisement -

ব্যানক্রফটের দাবির পরপরই পালটা দাবি ২০১৮-র কেপটাউন টেস্টের অজি বোলারদের। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জোস হ্যাজেলউড, নাথান লায়োনরা জানিয়েছেন, বল বিকৃতির বিষয়টি সম্পর্কে তারা অন্ধকারে ছিলেন। যৌথ বিবৃতিতে চারজন বলেছেন, আমরা জানতাম না, বলের আকার বদলানোর জন্য বাইরের কোনও জিনিস মাঠে আনা হয়েছে। স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনেই প্রথম তা দেখতে পাই। সবার কাছে অনুরোধ, অযথা গুজব ছড়াবেন না।

মাইকেল ক্লার্ক সহ সমালোচকদেরও একহাত নিয়েছেন অজি বোলিং ইউনিট। স্টার্কদের দাবি, নিজেদের সততা নিয়ে আমরা গর্বিত। কিন্তু কিছু সাংবাদিক ও প্রাক্তন ক্রিকেটার যেভাবে প্রশ্ন তুলছেন, তা হতাশাজনক। বহুবার এবিষয়ে কথা বলেছি, প্রশ্নের জবাব দিয়েছি। আবারও বলতে হচ্ছে। বাইরের কিছু মাঠে এনে বলের বিকৃতি ঘটানোর বিষয়টি আমরা জানতাম না। অথচ, কোনও প্রমাণ ছাড়াই বলা হচ্ছে, যেহেতু বোলার, তাই বলের আকৃতি বদলালে আমরা বুঝতে পারব। অথচ, ম্যাচের দুই আম্পায়ার নাইজেল লং ও রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখার পর বল পরীক্ষাও করেন। কিন্তু বল বদলাননি, সেরকম কিছু খুঁজে না পাওয়ায়।

এর আগে অজি বোর্ডের এক শীর্যস্থানীয় আধিকারিক জানান, ইংল্যান্ডে কাউন্টি খেলতে ব্যস্ত ব্যানক্রফট সোমবারই তার বক্তব্য জানিয়েছে। বলেছে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়ার মতো নতুন কোনও তথ্য তার কাছে নেই। ওইসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছিলেন। তদন্ত রিপোর্টেও তিনি খুশি। অথচ, কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে সতীর্থ বোলারদের দিকেই আঙুল তোলেন। দাবি করেন, বল বিকৃতি হলে বোলাররা তা বুঝতে পারবেই।