পাঞ্জাবকে ছিটকে দিয়ে প্লেঅফে বিরাটরা

(আরসিবি : ১৬৪/৭ – পাঞ্জাব : ১৫৮/৬)

শারজা : চেন্নাই, দিল্লির পর ব্যাঙ্গালোর।

- Advertisement -

পাঞ্জাব কিংসকে ছিটকে দিয়ে তৃতীয় দল হিসেবে প্লেঅফে বিরাট কোহলিরা। জিতলেই শেষ চার নিশ্চিত। হাতে তিনটি ম্যাচ। যদিও অপেক্ষায় রাজি ছিল না টিম ব্যাঙ্গালোর। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, যুযবেন্দ্র চাহালদের ব্যাট-বলের দাপটে আজই লক্ষ্যপূরণ। উত্তেজক ডুয়েলে লোকেশ রাহুল-মায়াঙ্ক আগরওয়ালদের প্রচেষ্টা দুমড়ে দিয়ে ৬ রানে জয়।

টসে জিতে ব্যাটিং নেয় ব্যাঙ্গালোর। দেবদূত পাডিক্কাল (৪০), বিরাটরা (২৫) ভালো শুরুর ধারাবাহিকতা এদিনও বজায় রাখেন। রানের গতি সেভাবে না বাড়লেও ৬৮ রানে জুটিতে ভিত গড়ে দেন। যদিও ৫ রানের মধ্যে তিন উইকেট নিয়ে ডু অর ডাই ডুয়েলে পাঞ্জাবকে ম্যাচে ফেরান মোজেস হেনরিকে (৩/১২)। মহম্মদ সামিও তিন উইকেট নেন।

অবশ্য গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (৩৩ বলে ৫৭) দ্রুত ফেরাতে না পারার খেসারত চুকোতে হয় পাঞ্জাবকে। গত দুই ম্যাচের মতো এদিনও আগ্রাসী হাফ সেঞ্চুরিতে ম্যাচের ভাগ্য গড়েন ম্যাড-ম্যাক্স। মিডলঅর্ডার ধসের মঝে ডিভিলিয়ার্সের ২৩ রান ১৬৪/৭ স্কোরে পৌঁছোতে সাহায্য করে।

ভালো স্কোর হলেও নিরাপদ নয়। রাহুল (৩৯)-মায়াঙ্ক (৫৭) সেটাই বোঝাচ্ছিলেন। ৯১ রানের পার্টনারশিপ যখন ভাঙে, পাঞ্জাবের দরকার ৫৫ বলে ৭৪ রান। হাতে ৯ উইকেট। সহজ সমীকরণটাই জটিল করে দেন চাহাল (৩/২৯)। শাহবাজ আহমেদ লোকেশকে ফেরানোর পর ম্যাজিক স্পেলে চাহালের ঝোলায় মায়াঙ্ক সহ নিকোলাস পুরান (৩), সরফরাজ খান (০)।

ধাক্কাটা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি পাঞ্জাব। অন্তিম ওভারে ১৯ প্রয়োজন ছিল। যদিও বারোর গণ্ডিতে আটকে যান হেনরিকে-শাহরুখ খানরা। ছিটকে যাওয়ার হতাশা (১৩ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট) নিয়ে অধিনায়ক লোকেশ পরে বলেন, ১০-১৫ রান বেশি দিয়ে ফেলেছি। আসলে ম্যাক্সওয়েলের মতো ক্রিকেটার টিকে গেলে সামলানো মুশকিল। মূল সমস্যা অবশ্য ব্যাটিং। গত দুই মরশুমে ব্যাটিংই ডোবাল।