ভারত-বাংলাদেশের স্থলবন্দর পরিদর্শনে হাইকমিশনার

578

চ্যাংরাবান্ধা: কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা বৈদেশিক বানিজ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহম্মদ ইমরান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রথম সচিব জাকির হোসেন। জানা গিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ স্থলবন্দর এলাকার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নিতেই বুধবার হাইকমিশনার এই সীমান্তে পৌঁছান।

এদিন বেলা ১২টা নাগাদ চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান কাস্টমস সুপারিনটেনডেন্ট কপিল বাইন। সীমান্তে হাজির হয়ে কথা বলেন ওপারের বাংলাদেশের বুড়িমারি সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে। সেখানে বাংলাদেশের রংপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা প্রমুখ ছিলেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরেই তিনি চ্যাংরাবান্ধা বিএসএফ ক্যাম্পে যান। সেখানে বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ডিআইজি সঞ্জয় পন্থ, বিএসএফের ১৪৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের সিও বনাম্বার সাহু প্রমুখের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে হাইকমিশনার ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের বুড়িমারি স্থলবন্দরে প্রবেশ করেন। এদিন হাইকমিশনারকে চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের তরফেও এই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পুনরায় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত চালু, বিশেষ করে মেডিকেল ও ব্যবসায়ীক ভিসা চালু করা, বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রসার ইত্যাদি বেশ কিছু দাবির কথা জানানো হয়। উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির কারণে চ্যাংরাবান্ধা চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে রয়েছে।

- Advertisement -

হাইকমিশনারকে এদিন চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিমল কুমার ঘোষ, সভাপতি মুলচাঁদ বুচ্চা, ভরত প্রসাদ গুপ্তা, ইদু সওদাগর প্রমুখ স্বাগত জানান। হাইকমিশনারের স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শনে বিভিন্ন বিষয়ে আশাবাদী বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত দুই দেশেরই বিভিন্ন মানুষজন।