৯ বছর পর ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

ঢাকা : একেই প্রথমসারীর ক্রিকেটারদের অনেকে নেই। তার উপর উপমহাদেশে অ্যাওয়ে সিরিজ। তার পরেও বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চট্টগ্রামে ৩৯৫ রানের বিশাল রান তাড়া করে জেতার পর ঢাকায় ২৩০ রানের স্বল্প পুঁজি নিয়ে জিতল তারা। ২-০ সিরিজ হেরে ৯ বছর পর ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ।

 

- Advertisement -

ক্যারিবিয়ানদের ১৭ রানের জয় নিয়ে সরগরম নেটদুনিয়া। তাতে সুর মিলিয়েছেন প্রাক্তনরাও। যেমন ভিভিএস লক্ষ্মণের টুইট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয় অসাধারণ। সেরা দল ছাড়াই বাংলাদেশে এসে জেতা মুখের কথা নয়। ক্রিকেটারদের পাশাপাশি কোচ ফিল সিমন্সের প্রশংসাও করেছেন তিনি। ওয়াসিম জাফরের টুইট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পারফরমেন্সে মুগ্ধ। দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে এসে বাংলাদেশকে ২০ হারানো সহজ নয়। ক্যারিবিয়ানদের জয় নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইয়ান বিশপ, অঞ্জুম চোপড়াও।

ক্যারিবিয়ানদের দ্বিতীয় ইনিংস যে বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না, তা শনিবারই বোঝা গিয়েছিল। ৪১/৩ থেকে তারা অলআউট হয় ১১৭ রানে। এনক্রুমা বোনার (৩৮) এবং জোশুয়া ডি সিলভা (২০) ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা এক অঙ্কের রানেই সাজঘরে ফেরেন। কাইল মেয়ার্স (৬), জার্মেইন ব্ল্যাকউড (৯), আলজারি জোসেফদের (৯) দাঁড়াতে দিলেন না বাংলাদেশের বোলাররা। তাইজুল ইসলাম (৩৬/৪), নইম হাসান (৩৪/৩), আবু জায়েদ (৩২/২) এবং মেহেদি হাসান মিরাজের (১৫/১) ঘূর্ণিতে পথ হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তবে প্রথম ইনিংসে ১১৩ রান লিডের সৌজন্যে বাংলাদেশকে ২৩১ রানের টার্গেট দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু এই রানও পর্বতসমান হয়ে গেল ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়। সেট হয়ে উইকেট ছুড়ে এলেন তামিম ইকবাল (৫০)। সৌম্য সরকার (১৩), নাজমুল হোসেন শান্ত (১১), মোমিনুল হক (২৬), মুশফিকুর রহিম (১৪), মহম্মদ মিঠুন(১০), লিটন দাসরাও (২২)স্কোরারদের তেমন পরিশ্রম করতে দিলেন না। শেষ ভরসা মিরাজ (৩১) ফিরতেই ২১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৭ রানে জযে মূল কারিগর দুই স্পিনার রাখিম কর্নওয়াল (১০৫/৪) ও জোমেল ওয়ারিকান (৪৭/৩)। তাঁদের সঙ্গী হলেন পার্টটাইম স্পিনার অধিনায়ক ক্রেগ ব্রেথওয়েট (২৫/৩)। দুই ওপেনারের পাশাপাশি শেষদিকে মিরাজের সঙ্গী হয়ে ওঠা নইমকে (১৩) ফেরান তিনি।