স্বাধীনতা দিবসে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

ওয়েলিংটন : স্বাধীনতা দিবসে লজ্জার হার বাংলাদেশের। শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ওডিআই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হল তারা। সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচে হারল ১৬৪ রানে।

কিছুদিন আগে বাংলাদেশের ক্রিকেটকর্তারা মন্তব্য করেছিলেন, দল টেস্ট খেলে ওয়ান ডে মেজাজে, আর ওডিআই খেলে টেস্টের মতো। এদিন বেসিন রিজার্ভে সেই কথাই প্রমাণ করেছেন মহম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিমরা। প্রথমে ব্যাট করে ৩১৮/৬ রানের বিশাল স্কোর নিউজিল্যান্ডের। এই মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড পাকিস্তানের। ১৯৮৯ সালে ২৫৪ করেছিল তারা। ফলে জিতলে রেকর্ড গড়ত বাংলাদেশ। পাশাপাশি হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর সুযোগও ছিল তাদের সামনে।

- Advertisement -

কিন্তু শুরু থেকেই গুটিয়ে রইল বাংলাদেশের ব্যাটিং। ১৫৪ রানে অলআউট হল দল, খেলল ৪২.৪ ওভার পর্যন্ত। পাওয়ার প্লের ১০ ওভার শেষে তাদের স্কোর ছিল ৩২/৩। ব্যাট হাতে একাই লড়লেন মাহমুদুল্লা রিয়াদ (৭৬)। ভালো শুরু করেও দ্রুত ফিরলেন লিটন দাস (২১)। তামিম ইকবাল (৯ বলে ১), মিঠুন (৩৯ বলে ৬), রহিম (৪৪ বলে ২১), সৌম সরকারদের (৬ বলে ১) ব্যাটিং দেখে মনে হয়নি, জেতার কোনও ইচ্ছে আছে। শেষদিকে রুবেল হোসেন (২৮ বলে ৪) বা তাসকিন আহমেদরাও (২৪ বলে ৯) রান করতে ব্যর্থ।

বাংলাদেশকে ভাঙলেন দুই কিউয়ি বোলার জেমস নিশাম (২৭/৫) ও ম্যাট হেনরি (২৭/৪)। এদিন ম্যাচ শেষে ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা মেনে নিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিমও। বললেন, এমন ব্যাটিং মানা যায় না। ধৈর্য ধরে উইকেটে থাকতে হত। আমরা সেটা করতে পারিনি। নিউজিল্যান্ডে বলের মুভমেন্ট অন্যরকম হয়, এটা সবাই জানে। কিন্তু টিকে থাকলে রান আসে। সেখানে আমরা বাজে শট খেলে আউট হয়েছি।

এদিন নিউজিল্যান্ডের জয়ে দুই নায়ক ডেভন কনওয়ে (১২৬) ও ডারেল মিচেল (১০০)। চলতি সিরিজের প্রথম ম্যাচে একসঙ্গে ওডিআই অভিষেক হয়েছে দুজনের। এদিন দুজনে কেয়িয়ারের প্রথম ওডিআই শতরানও পেলেন একই ম্যাচে। তাঁদের সৌজন্যেই আড়ালে চলে গেল মার্টিন গুপ্টিল (২৬), হেনরি নিকোলস (১৮), টম ল্যাথাম (১৮), নিশামদের (৪) ব্যর্থতা। চোট সারিয়ে দলে ফিরে নজর কাড়তে ব্যর্থ রস টেলর (৭)। বাংলাদেশের সেরা বোলার রুবেল (৭০/৩)।