বাসন্তীপুজোর বরাত নেই, চিন্তার ভাঁজ কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের

68

রায়গঞ্জ: গতবছর করোনা পরিস্থিতির কারনে বাসন্তীপুজোর পাশাপাশি অধিকাংশ পুজো হয়েছে নমো নমো করেই। বিগ বাজেটের দুর্গাপুজোতে ছিল কাটছাট আর ছোটো পুজোগুলো হয়নি বললেই চলে। ফলে প্রতিমা শিল্পীদের টান পড়েছে ভাঁড়ারে। লাভের আশায় শিল্পীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে লক্ষ্মী, কালী ও সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করেছে। তবে, ট্রেন বন্ধ থাকায় বিহারের ক্রেতারা আসতে পারেনি। ফলে তৈরি প্রতিমা শিল্পীদের ঘরেই থেকে যায়। এবারে বাসন্তীপুজোয় শিল্পীরা বরাত এখনও পায়নি বললেই চলে। অন্যদিকে, কুমোরটুলির হাতেগোনা কয়েকজন প্রতিমার বরাত পেলেও সেভাবে দাম মিলছে না বলে দাবি করেন। ফলে নিজেদের পেশা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন প্রত্যেকেই।

মৃৎশিল্পী তাপস পাল জানান, গতবছর করোনার জন্য বাসন্তীপুজোর প্রতিমার বায়না পায়নি। এবছর একটি পেয়েছি তাও প্রতিমার দাম অর্ধেক। যে প্রতিমার দাম ২০ হাজার টাকা হওয়া উচিত তা এবছর ১০ হাজারের বেশি দেবে না। লাভের মুখ কিভাবে দেখব জানিনা।

- Advertisement -

অপর এক শিল্পী নারায়ণ পাল জানান, এবছর কোনও কাজ নেই। গতবছর দুর্গাপুজোয় খুব খারাপ কেটেছে। নিজেদের পেশা নিয়ে খুব অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। আমাদের অন্য কোনো পেশাও নেই। আগামী দুর্গাপুজোর সময় করোনামুক্ত হতে পারে সেই আশায় ১০টি দুর্গা প্রতিমার কাঠামো তৈরি করেছি।