কার্যত লকডাউনে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ, অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে প্রতিবন্ধী মা ও ছেলের

83

রায়গঞ্জ: সালটা ১৯৮৭। ইটাহার পাড়াহরিপুরে হঠাৎ আসা বন্যায় ভেসে যায় বাড়িঘর। তখনই পরিবারকে নিয়ে ইটাহার পাড়াহরিপুরের নিজের বাড়ি ছেড়ে সুখদা দাস ও চৈতন্য দাস  চলে আসেন রায়গঞ্জের কাছে দেবীনগরের কসবা এলাকায়। তারপর থেকে ঠেলা চালিয়ে আর অন্যের জমিতে কাজ করেই সংসার চালাতেন চৈতন্যবাবু। ২০১০ সালে চৈতন্যবাবু মারা যাওয়ার পর অভাব যেনো তাদের পরিবারেরই সদস্য হয়ে উঠেছে। বৃদ্ধা সুখদা দাস তার প্রতিবন্ধী ছেলে গণেশ কে নিয়ে এখন অতি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

বিধবা ভাতা আর ভিক্ষা করেই দুজনের জীবন চলে। কিন্তু কার্যত লকডাউনের কারণে এখন দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করাও মুশকিল হয়ে উঠেছে। সুখদা দাসের বয়স সত্তর কি বাহাত্তর আর তার ছেলে গণেশ বছর ত্রিশের। দুজনেই প্রতিবন্ধী। কার্যত লকডাউন ও অসুস্থার কারণে বেরোনো বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাদের। অসহায় হয়ে দিন কাটাচ্ছেন তারা।

- Advertisement -

মাড়াইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কমল দেবশর্মা বলেন, ‘ওদের খবর পেয়েই আমি চাল,ডাল,তেল,বিস্কুট এই সব সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। এরপরেও পৌঁছে দেওয়া হবে। সুখদা দেবী বার্ধক্য ভাতা পান। তবে প্রতিবন্ধী ভাতা পান কিনা জানা নেই। ওনারা অন্যের জায়গায় থাকেন। তাই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি দিতে চেয়েও দেওয়া যাচ্ছে না।‘ স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিকাশ মন্ডল বলেন, প্রধানকে দুজনের কথা জানিয়েছি। আমরা ব্যক্তিগত ভাবে ওদের পাশে আছি। সব রকম সাহায্যই আমরা করব।