সোনালি প্রজন্মের প্রাপ্তি শুধুই শূন্যতা

মিউনিখ : ম্যাচ শুরুর ঠিক আগের মতো ৯০ মিনিট শেষেও ক্যামেরা বারবার নজরবন্দি করছিল তাঁকে। মাথায় কালো টুপি। গায়ে বেলজিয়ামের ট্র‌্যাকসুট। চোখমুখ উদভ্রান্ত. হতাশা আর যন্ত্রণায় মোড়া। তিনি – এডেন হ্যাজার্ড। বেলজিয়ামের সোনালি অধ্যায়ে সেরা তারকা।

দলকে সেমিফাইনালে তোলার লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন মাঠে নামার। চোট ধাক্কা তা হতে দেয়নি। মাঠের বাইরে বসেই তাই হজম করতে হয়েছে ইউরো-বিদায়। তিনবছর আগে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে মতো।

- Advertisement -

হ্যাজার্ড পারেননি, কেভিন ডিব্রুয়েন অন্তত পেরেছিলেন। গোঁড়ালির চোটের অসহনীয় যন্ত্রণা সহ্য করেই ইতালির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার। কিন্তু শেষমেশ অপূর্ণতার আক্ষেপ নিয়ে বিদায় নিতে হল বেলজিয়ান তারকাকে। বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্ম এবারও পেল না শিরোপা জয়ে স্বাদ।

ব্যর্থতার বেড়াজালে আটকে পরার আক্ষেপ যাচ্ছে না ডিব্রুয়েনের। ম্যাচের পর অকপটেই জানালেন, দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই ঝুঁকি সত্ত্বেও মাঠে নেমেছিলেন। তিনি বলেন, মেডিকেল টিম যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে মিরাকেল ঘটানোর। লিগামেন্টে টিয়ার হওয়ায় খেলার কোনও সম্ভাবনা আমার ছিল না। দেশের জন্য মাঠে নেমেছিলাম। কিন্তু সফল হতে পারলাম না। ইনসিগনের গোলকে বিশ্বমানের আখ্যা দিলেও প্রথমটির ক্ষেত্রে রক্ষমের ভুল ছিল বলে মনে করেন কেভিন। লুকাকুর শট গোললাইন সেভ না হলে ম্যাচ অন্যরকম হত বলে মনে করেন তিনি।

ডিব্রুয়েনের মতো হতাশার সাগরে ডুবে বেলজিয়াম কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। ২০১৬ সালে দায়িত্ব নিলেও বেলজিয়ামকে ট্রফির স্বাদ এনে দিতে ব্যর্থ এফএ কাপ জয়ী প্রশিক্ষক। কাতার বিশ্বকাপে তিনি দায়িত্বে থাকবেন কি না তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে মুহ্যমান মার্টিনেজের তা নিয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই। ব্যর্থতার কারণ হাতড়াচ্ছেন বিশ্বের একনম্বর দলের হেডস্যর।