মণীশদের নিয়ে স্ট্র্যাটেজি কষছে সুদীপরা

নয়াদিল্লি : সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় সফল হতে গেলে বড় দলগুলিকে হারাতেই হবে। আমরা যেকোনও চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি।

বক্তার নাম অরুণ লাল। পরিচয়ের প্রযোজন নেই। মঙ্গলবার রাজধানীর অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে সৌরাষ্ট্রকে হারিয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করেছে কর্ণাটক। সেমির দৌড়ে বৃহস্পতিবার বাংলা বনাম কর্ণাটক ম্যাচ নিয়ে ইতিমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্রিকেটমহলে।

- Advertisement -

দিন কয়েক আগে গুয়াহাটির নেহরু স্টেডিয়ামে কর্ণাটককে হারিয়ে আগেই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা। ফের একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরশু মুস্তাক আলির সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই। যেখানে জয় মানে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত হওয়া। আর পরাজয় মানেই প্রতিযোগিতা থেকে এবারের মতো বিদায়। তার আগে পরিচিত শত্রুকে নিয়ে বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট আজ থেকেই স্ট্র‌্যাটেজি কষতে শুরু করেছে। সেমির যুদ্ধে বাংলা ঋদ্ধিমান সাহা, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, ঈশান পোড়েলদের পাচ্ছে না। তেমনই কর্ণাটক পাচ্ছে না দেবদূত পাডিক্কাল, প্রসিধ কৃষ্ণা, মায়াঙ্ক আগরওয়ালদের। টিম ইন্ডিয়া ও ভারতীয় এ দলে থাকার জন্যই মায়াঙ্ক-অভিমন্যুদের পাওয়া যাবে না।

গুয়াহাটির উইকেট ছিল মন্থর। সাহায্য পাচ্ছিলেন স্পিনাররা। তুলনায় রাজধানীর বাইশ গজ মন্থর হলেও বাউন্স রয়েছে উইকেটে। তাই বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট স্পিনারদের পাশে পেসারদের উপরও ভরসা রাখতে চাইছে। দলের অধিনায়ক সুদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা কর্ণাটক দলকে নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা শুরু করেছি। শেষ ম্যাচটা এখন ইতিহাস। মনে রাখবেন, আমাদের ফের শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। তাছাড়া কর্ণাটক অধিননায়ক মণীশ পান্ডের সাম্প্রতিক ফর্ম ও অভিজ্ঞতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে টিম বাংলা।