ভৈরবী মন্দিরকে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে দিতে উদ্যোগী গ্রাম পঞ্চায়েত

243

হেমতাবাদ: সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল ঐতিহ্যবাহী ভৈরবী মন্দির। এই মন্দির সংস্কারের দাবিতে কেন্দ্রীয় হেরিটেজ কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। সেইমতো মন্দির সংস্কারের কাজে হাত লাগায় কমিশন। সেই কাজ শেষ হওয়ায় আক্ষরিক অর্থেই খুশি হেমতাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের বিন্দোল গ্রামের বাসিন্দারা। কারণ মন্দিরটিকে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে দিতে উদ্যোগী হয়েছে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের ৩০ কিলোমিটার দূরের বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজেবিন্দোল গ্রামে ভৈরবী মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন এলাকার জমিদার গণেশ নারায়ণ। ঐতিহাসিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মন্দিরের ভিতরে কষ্টিপাথরের যে মূর্তি রয়েছে তা সূর্যদেবের। মন্দিরের ভিতরে পুজো দিয়ে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করার জন্য একটি গহ্বর ছিল। সেখান থেকে পুষ্পাঞ্জলী সরাসরি কাঞ্চন নদীতে চলে যাওয়ার জন্য একটি ক্যানেল ছিল। কিন্তু নদী মজে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ক্যনেলটিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেটিকে আর নতুন করে তৈরি করা হয়নি। বিন্দোলগ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাচীন মন্দিরটিকে ঘিরে পার্ক তৈরি করার সঙ্গে মন্দিরের পাশের মজে যাওয়া কাঞ্চন নদীতে নৌকা বিহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে গ্রাম পঞ্চায়েত ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে। এই কাজও খুব শীঘ্রই শুরু হবে।

- Advertisement -

প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে মন্দিরটি সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বলেন, ‘আমরা একটি পার্ক তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছি। পর্যটকরা এখানে ঘুরতে এসে পার্কেও আসতে পারবেন। এছাড়াও পর্যটকদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থাও করা হবে।’ পার্ক এবং বিনোদনের ব্যবস্থা করা গেলে ভৈরবী মন্দিরটি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে আশা গ্রাম পঞ্চায়েতের।