উত্তরবঙ্গজুড়ে শুরু ভাণ্ডানি পুজো

249
দক্ষিণ ধূপঝোরা

উত্তরবঙ্গ ব্যুরো: দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ভাণ্ডানি পুজো শুরু হল দক্ষিণ ধূপঝোরায়। প্রতি বছরের মতো এবছরও মেটেলি ব্লকের দক্ষিণ ধূপঝোরা মিলন সংঘের পরিচালনায় ৪৩তম ভাণ্ডানি পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। দশমীর দিন ভাণ্ডানি দেবীর প্রতিমা স্থাপন করা হয়। একাদশীর দিন পুজো হয়। এখানে মায়ের বাহন সিংহ। দেবী ভাণ্ডানি ছাড়াও কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী ও মহাকাল ঠাকুরেরও পুজো করা হয়। প্রতি বছর দশমীর দিন পুরোনো প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে ওই দিনই নতুন প্রতিমা স্থাপন করা হয়। পুজো উদ্যোক্তারা জানান, পুজো উপলক্ষ্যে আগে একাদশী ও দ্বাদশীতে দু’দিন ব্যাপী বড় মেলা হত। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে গত দু’বছর মেলা হচ্ছে না। আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করা হবে না। এই পুজোয় জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বহু মানুষের সমাগম হয়।

নিশিগঞ্জ

অন্যদিকে, নিশিগঞ্জ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব ভোগমারা গ্রামেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভাণ্ডানি পুজো। করোনা আবহে নিশিগঞ্জ পূর্ব ভোগমারা গ্রামে তৃতীয় বর্ষ ভাণ্ডানি পুজো উপলক্ষ্যে থাকছে লোকসংস্কৃতির আয়োজনও। পুজো কমিটির সদস্য পবিত্র বর্মন জানান, রাজবংশী কৃষ্টি সংস্কৃতিকে ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

 

ফুলবাড়ি

রীতি মেনে একাদশীর দিন ভাণ্ডানি পুজোতে মাতলেন মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের ক্ষেতির বাসিন্দারা। ক্ষেতি সর্বজনীন মা ভাণ্ডানি পুজো কমিটির ঐতিহ্যবাহী ৮৩তম ভাণ্ডানি পুজো শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা প্রয়াত কৃষ্ণকান্ত রায় কায়েত ১৯৩৮ সালে ক্ষেতিতে মা ভাণ্ডানিকে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এই পুজো কায়েত পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই পুজো সর্বজনীন হয়ে ওঠে। পুজো কমিটির পক্ষে দীপক বর্মন জানান, জাগ্রত দেবী হিসাবে ক্ষেতির মা ভাণ্ডানির পরিচিতি রয়েছে। প্রচুর পুণ্যার্থী এখানে আসেন পুজো দিতে। একসময় এই পুজোকে কেন্দ্র করে পাঁঠা ও পায়রা বলি দেওয়ার প্রথা ছিল। কিন্তু এখন সেই প্রথা বন্ধ রয়েছে। ভাণ্ডানি পুজো উপলক্ষে এদিন স্থানীয় ক্ষেতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মিলন মেলার আয়োজন করা হয়।