ভবানীপুর উপনির্বাচন সংক্রান্ত মামলা নিয়ে প্রশ্ন আদালতের

106
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: এক সপ্তাহ পিছিয়ে গেল ভবানীপুর উপনির্বাচন সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানি। আগামী সোমবার এই মামলার ফের শুনানি করা হবে। সোমবার মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের। পাশাপাশি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ার পর সেটিকে অকারণে থামানো যায় না। অন্যদিকে, মামলাকারীর তরফে আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় জানান, উপনির্বাচন আর নির্বাচন এক ব্যাপার নয়। ভবানিপুর কেন্দ্রে কোনও সাংবিধানিক ক্রাইসিস রয়েছে যে এত দ্রুত নির্বাচন করাতে হবে? এভাবে একটা কেন্দ্রে নিজেদের ইচ্ছেমতো উপনির্বাচন করা যায় না। আসলে একজন ব্যক্তির ক্রাইসিসটাই এখানে মূল বিষয়। তার জন্য এভাবে নির্বাচন করা যায় না।’

এত দেরিতে কেন মামলা করলেন? তা নিয়ে সেসময় প্রশ্ন করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। সেই উত্তরে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় জানান, নির্বাচন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মামলা করা হয়েছিল। এরপরই এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। মামলাকারীর তরফে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘শুনানিতে বিচারপতি সব পক্ষের হলফনামা দেওয়ার কথা বলেন। তখন আমরা দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছিলাম।’ বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্যের মুখ্যসচিব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সংকটকে জনগণের সংকট বলে দেখাতে চাইছেন। ছয় মাস হয়ে গেলে উনি সমস্যায় পড়বেন। দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হচ্ছে নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে সম্মতি জানাচ্ছে।’

- Advertisement -