হাজার বাইকের শোভাযাত্রায় বাড়ি ফিরলেন তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন দে

471

সুভাষ বর্মন, ফালাকাটা: তৃণমূল কংগ্রেসের গুলিবিদ্ধ নেতা মনোরঞ্জন দে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি থেকে সড়কপথে ফালাকাটা হয়ে সাহেবপোঁতার বাড়িতে পৌঁছান তিনি।

এদিন তাঁকে স্বাগত জানাতে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের ঢল নামে। বাইক র‍্যালি করে প্রিয় নেতাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এদিন শহর ও ফালাকাটা-সোনাপুর জাতীয় সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। মানুষের ঢল দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে মনোরঞ্জন দে অশ্রুসজল চোখে বলেন, ‘মানুষের আশীর্বাদেই আজ আমি প্রাণে বেঁচে বাড়ি ফিরতে পারলাম।’

- Advertisement -

হাজার বাইকের শোভাযাত্রায় বাড়ি ফিরলেন তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন দে| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে শিলিগুড়ি থেকে বাড়ি ফেরার পথে মালবাজারের কাছে গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে। অভিযোগ, তাঁকে উদ্দেশ্য করে দুষ্কৃতীরা তিন রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। দুটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও একটি গুলি তাঁর বাম পায়ে লাগে। শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। এদিন হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয় তাঁকে। বিকেলে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে ফালাকাটায় পৌঁছান তিনি। তাঁকে স্বাগত জানাতে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের প্রায় এক হাজার বাইকে কয়েক হাজার কর্মী ফালাকাটার ধূপগুড়ি মোড়ে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে মনোরঞ্জন দে’কে শুভেচ্ছা জানান তৃণমূলের ফালাকাটা ব্লক সভাপতি সুভাষ রায়, তৃণমূল যুবর ব্লক সভাপতি শুভব্রত দে সহ আরও অনেকে। বাইক র‍্যালি করে জননেতার গাড়ি ফালাকাটা থেকে সাহেবপোঁতায় আসে। ২২ কিলোমিটার পথ আসতে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। এদিকে চার লেনের মহাসড়কের কাজের জন্য ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

মনোরঞ্জন দে বলেন, ‘আমি সব সময় মানুষের পাশে ছিলাম। তাই মানুষও আমার সঙ্গে রয়েছে। মানুষই আমার নিরাপত্তা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, মন্ত্রী মলয় ঘটক, রাজীব বন্দোপাধ্যায়, অরুপ বিশ্বাস, গৌতম দেব সহ অনেকেই সব সময় আমার খোঁজ নিয়েছেন। আমি এখন ঘরেই বসেই সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যাব।’ গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে আঙুল তুললেও মনোরঞ্জনবাবু সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের দিকে আঙুল না তুলে জানান, সব রাজনৈতিক দলের উঁচু স্তরের নেতারাই তাঁর খোঁজ নিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।