সম্প্রীতির বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজনে কাটছাঁট

362

সুভাষ বর্মন, সোনাপুর: আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের মধ্যে সব থেকে বেশি জাঁকজমকভাবে বিশ্বকর্মা পুজো হয় সোনাপুরে। এখানকার পুজো হল সম্প্রীতির পুজো। কারণ, এই পুজোর উদ্যোক্তা হলেন হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। এবার করোনা পরিস্থিতিতেও পুজো হবে। কিন্তু আয়োজনের ক্ষেত্রে অনেককিছুই কাটছাঁট করা হয়েছে। অল্প আয়োজন নিয়েও এদিন প্রস্তুতি চালিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

সোনাপুর চৌপথির পাশে সম্প্রীতির বিশ্বকর্মার পুজো করে ডিআই ভ্যান ইউনিট নামে একটি পরিবহণকর্মী সংগঠন। এই সংগঠনের সঙ্গে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের যুবকরা যুক্ত রয়েছেন। তাদের কাছে যেন বিশ্বকর্মা পুজোই বছরের শ্রেষ্ঠ উৎসব। এবার এই সংগঠনের পুজো ১৭তম বর্ষে পড়েছে। গত বছরও অনেক ধুমধাম করে এই পুজো হয়েছে। পুজোর পরদিনও সাংস্কৃতিক ও বিচিত্রানুষ্ঠান হয়েছিল। বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। কিন্তু এবারের পরিস্থিতিটা অন্যরকম। তাই বিচিত্রানুষ্ঠান ছাড়াই শুধু পুজোর আয়োজন করেছেন পরিবহণকর্মীরা। তবে পুজোর পাশাপাশি এবার কিছু সামাজিক কার্যকলাপও তাঁরা করবেন বলে জানিয়েছেন।

- Advertisement -

পুজোর মূল উদ্যোক্তা রুস্তম হোসেন ও নজরুল ইসলাম জানান, প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় এবার পুজোর পরদিন কোনও অনুষ্ঠান করা হবে না। বড় করে প্যান্ডেলও করা হচ্ছে না। মণ্ডপ সাজানো হচ্ছে। সেখানেই বিশ্বকর্মার পুজো হবে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘এবার দু:স্থদের বস্ত্রদান ও স্থানীয় ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।’ উদ্যোক্তারা এদিন পুজোর মণ্ডপ সাজিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বিশ্বজিৎ পাল, বিপ্লব দাস, প্রসেনজিৎ রায় জানান, এই পুজোয় কোনও ভেদাভেদ নেই। তবে এবার নিয়ম নিষ্ঠাসহকারেই পুজো হবে। সারাদিন খিচুড়ি প্রসাদ বিলি করা হবে। বাকি অনুষ্ঠানের আনন্দ এবার আর হবে না।