পজিটিভ নাকি নেগেটিভ বুঝতে পারছেন না বিশ্বজিৎ! ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি  

291

জলপাইগুড়ি: করোনা সন্দেহে, বেসরকারি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করার রিপোর্ট নিয়ে শনিবার চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়িতে। ওই বেসরকারি প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবে পরীক্ষার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে পরীক্ষা করতে আসা ওই ব্যাক্তি করোনা পজেটিভ। অন্যদিকে সেই বেসরকারি ল্যাবের সুত্র ধরে স্বাস্থ্যদপ্তর ওই ব্যাক্তিকে জানিয়েছে তিনি নেগেটিভ। একই ব্যাক্তির একই নমুনার  ভিত্তিতে  তৈরি করা রিপোর্ট দুই জায়গায় দুই রকম। এই ঘটনায় বিষ্মিত ওই ব্যাক্তি। স্বাভাবিক ভাবেই তিনি নেগেটিভ নাকি পজেটিভ তা নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন। এদিকে একই নমুনা পরীক্ষা করে, বেসকারি এবং সরকারি জায়গা থেকে একই আইডি দিয়ে কিভাবে পজেটিভ এবং নেগেটিভ রিপোর্ট বলা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেতে শুরু করেছে। যদিও স্বাস্থ্য দপ্তর এবং বেসরকারি ল্যাব নিজেদের দাবিতে অনড়। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের দাবি বেসরকারি ল্যাবের করোনা পরীক্ষার সমস্ত রিপোর্ট স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে পাঠান হয়ে থাকে। সুতরাং ওই জায়গায় কোথাও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকতে পারে। তা না হলে একই নমুনার কখনই দুই রকম রিপোর্ট হতে পারে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিৎ।

জলপাইগুড়ি পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বৈরাগী পাড়ার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায় গত ১৬ তারিখ একটি বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব থেকে করোনা পরীক্ষা করিয়ে ছিলেন। এরপরে ১৭ তারিখ রাতে ওই সংস্থা তাকে রিপোর্ট পাঠিয়ে জানিয়ে দেয় তিনি করোনায় আক্রান্ত আছেন। স্বাভাবিক ভাবে গত কাল তার বাড়িও কনটেনমেন্ট করে দেওয়া হয় গ্রামপঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে। এই পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কিন্তু গোল বাঁধে শনিবার সকালে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে পাঠানো রিপোর্ট নিয়ে। এই ঘটনার পর ওই ব্যক্তির বাড়ি সুদ্ধ সকলে বিভ্রান্ত। জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ রমেন্দ্রনাথ প্রামানিক বলেন, ‘স্বাস্থ্য দপ্তর যে রিপোর্ট দিয়েছে সেটা ঠিক। তবে পুরো কাগজ পত্র না দেখে বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।‘

- Advertisement -