বিজেপি ‘সংস্কৃতি বিরোধী’, তীব্র আক্রমণ ব্রাত্য-অর্পিতার

75

কলকাতা: বিজেপিকে ‘সংস্কৃতি বিরোধী’ বলে তীব্র আক্রমণ করল তৃণমূল। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের দুই সাংস্কৃতিক মুখ ব্রাত্য বসু ও অর্পিতা ঘোষ নাট্য ব্যাক্তিত্বদের সামনে রেখে আক্রমণ শানান। তাঁরা জানান, রাজনীতির সঙ্গে থিয়েটারের একটা যোগ রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে থিয়েটারের লোকেদের দেশের ক্ষমতায় থাকা লোকেরা কখনও প্রাপ্য সম্মান দেননি। রাজ্যসভায় বা লোকসভায় কখনও থিয়েটারের লোকেদের দেখা যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন ব্যক্তিত্ব যিনি থিয়েটার জগতের লোকেদের সংসদে পাঠিয়েছেন। বিজেপিকে আক্রমণের সুরে দুজনেই বলেন, ‘বিজেপি সংস্কৃতি বিরোধী। কোনও গুরুত্বপূর্ণ নাট্য ব্যক্তিত্বকে বিজেপি তাঁদের দলে নিয়ে দেখাক।’

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থিয়েটারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ব্রাত্য-অর্পিতা জানান, মাত্র দশ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থিয়েটারের উন্নয়নের জন্য ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। তাঁরা থিয়েটারের লোকেরা যখনই তাঁর কাছে গিয়েছেন তিনি তাঁদের কথা জানতে চেয়েছেন। তাঁদের সমস্যা মেটাতে চেয়েছেন। যেখানে অন্য কোনও রাজ্য সরকারের তরফে নাট্য দলকে কোনও অনুদান দেওয়া হয় না সেখানে এবছরও রাজ্য সরকারের তরফে এই রাজ্যে অনুদান পাচ্ছে ৪০০ নাট্যদল। এদিন প্রায় ১৫ জন গুরুত্বপূর্ণ নাট্য ব্যক্তিত্ব তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। গ্রামবাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাঁরা জানান, মেলা, উৎসবে সমৃদ্ধ হয়েছে গ্রামবাংলার অর্থনীতি।দুর্গাপুজোর ফলে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বাণিজ্যে ছয় মাস ধরে এক লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হয়। স্থানীয় কারিগর এবং হস্তশিল্পে জোর দেওয়ায় মঞ্জুষা এবং তন্তুজের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠান অনেক উপকৃত হয়েছে। বিশ্ব বাংলা ব্র্যান্ড বাংলার বিভিন্ন প্রকল্প এবং জেলাগুলিকে বিশ্বে স্বীকৃতি অর্জনে সাহায্য করেছে।

- Advertisement -