রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সিতাই, গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী

72

সিতাই: রাজনৈতিক সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত সিতাই বিধানসভার মেয়ারের দিঘি এলাকা। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুই বিজেপি কর্মী। তাঁদের মধ্যে একজনের গুলি লেগেছে। ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী ৮ এপ্রিল সিতাইয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের জনসভার আগে এই সংঘর্ষের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

সিতাইয়ের কোনাচাত্রা হাইস্কুলের মাঠে জনসভা করবেন দিলীপ ঘোষ। ইতিমধ্যে সেখানে হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে। কিন্তু জনসভার একদিন আগে সিতাইয়ের মেয়ারের দিঘি এলাকা মঙ্গলবার গভীর রাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা স্থানীয় নেতা নারায়ণচন্দ্র বর্মন বলেন, ‘তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গতকাল গভীর রাতে মেয়ারের দিঘি এলাকায় আমাদের দলীয় কর্মীদের একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। বোমাবাজির পাশাপাশি চলে গুলিও। ঘঠনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আমাদের দলীয় কর্মী নিবারণ বর্মন। আরও একজন ছুড়িকাহত হয়েছেন। দলের হেভিওয়েট নেতা দিলীপ ঘোষের জনসভার আগে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে তৃণমূল এই সন্ত্রাস চালিয়েছে।’

- Advertisement -

যদিও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের সিতাই ব্লক সহ সভাপতি শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নয়। বেশ কিছুদিন ধরে বিজেপির নেতা-কর্মীদের নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি ও গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে ওই এলাকায় প্রতিরাতেই বোমাবাজি চলছে। বিজেপি নিজেরাই সন্ত্রাস করে এলাকা অশান্ত করে তুলেছে।’

এদিকে, ঘটনার পর থেকে এলাকায় চলছে পুলিশের টহলদারী। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারী সত্ত্বেও কীভাবে এই সন্ত্রাস চলছে? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।