কেশপুর, ১২ মেঃ পঞ্চম দফায় পুনর্নির্বাচন চেয়ে ধরনায় বসেছিলেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। প্রথম দফায় কোচবিহারের প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকও ধরনায় বসেছিলেন। তবে তাঁরা ধরনায় বসেছিলেন ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর। ভোট চলাকালীনই এবার ধরনায় বসলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় ভারতীর সঙ্গে থাকা দুটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তারপরেই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের কালীমন্দিরে ধরনায় বসেন এক সময়ের ওই জেলার পুলিশ সুপার ভারতী। কিন্তু ধরনার চারপাশে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা ভিড় করতে থাকায় পুলিশ ভারতী ও তাঁর সঙ্গীদের থানায় নিয়ে গিয়ে বসায়। সেখানে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে ভারতী বলেন, কেশপুরকে কাশ্মীর বানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

সকাল থেকেই যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতী ঘোষকে। বেশ কয়েক জায়গায় অশান্তির পর ভারতীর গাড়ি আটক করা হয় কেশপুর থানার সামনে। ভারতী যে গাড়ি নিয়ে ঘুরছিলেন তার নাকি অনুমতিই নেই। নির্বাচন কমিশনও এ কথা জানিয়েছে। গাড়ি আটক করতেই, ভারতী এবং বিজেপি কর্মীরা সোজা চলে যান কেশপুর কালীমন্দিরের চাতালে। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক বসার পর ওই মন্দির লাগোয়া এলাকায় জমায়েত করে তৃণমূল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ এসকর্ট করে থানায় নিয়ে যায় ভারতীএ এবং তাঁর এজেন্টকে। কেশপুর থানায় বসে ক্ষুব্ধ ভারতী বলেন, “ওরা আমায় এক জায়গায় আটকে রাখতে চাইছে। গোটা কেশপুরকে কাশ্মীরে পরিণত করেছে তৃণমূল।” পাল্টা তৃণমূলের দাবি, ভারতীই অশান্তির সৃষ্টি করেছেন। যেখানে গিয়েছেন সকাল থেকে, সেখানেই প্ররোচনা ছড়িয়েছেন।